বিশ্ব অ্যাজমা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে এক ঝাঁক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক, পরিবেশ কর্মী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর গোলটেবিল আলোচনা
আজ ৫ মে, বিশ্ব অ্যাজমা দিবস। ১৯৯৮ সাল থেকে প্রতিবছর মে মাসের প্রথম মঙ্গলবার- দিবসটি বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য অ্যাজমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরা। এবারের থিম ‘অ্যাজমা রোগীদের এই মুহূর্তে দরকার, হাতের নাগালে প্রোদাহবিরোধী ইনহেলার।’ শিশু থেকে বৃদ্ধ বর্তমানে- বাংলাদেশে ১ কোটিরও বেশি মানুষ এই অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত।
হঠাৎ কাশি- বুকে বাঁশির মতো শব্দ আর সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা রোগীদের কাছে এসব খুব পরিচিত সমস্যা। কিন্তু সব কাশি বা শ্বাসকষ্ট’ই কী অ্যাজমা? না, চিকিৎসরা বলছেন, অ্যাজমা হলো শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ। সারা বিশ্বে প্রায় ৪০ কোটি মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। যার মধ্যে বাংলাদেশেই বর্তমানে এক কোটির বেশি মানুষ- হাঁপানির সমস্যায় ভুগছেন।
বংশগত ও পরিবেশগত এই দুই কারণে- অ্যাজমা রোগে ভুগতে হয় মানুষকে। বিশ্ব অ্যাজমা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে এক ঝাঁক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক, পরিবেশ কর্মী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর গোলটেবিল আলোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে।
এটিএন নিউজের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড ও ট্রাইলকের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘ফোকাসড গ্রুপ ডিসকাসন ওয়ার্ল্ড অ্যাজমা ডে ২০২৬’ এ বক্তরা বলেন, দিনে দিনে কীভাবে অ্যাজমা ছড়িয়ে পড়ছে। সেই সাথে- এর বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করা হয়।
চিকিৎকরা বলছেন, ছেলে-মেয়ে উভয়ই এ রোগে আক্রান্ত হন। তবে ১ থেকে ১০ বছরের শিশুদের মধ্যে এই আক্রান্তের হার বেশি।
নগরায়ন ফলে বাসা-বাড়ি, রাস্তা-ঘাটের দূষিত বায়ু ও ধোঁয়ায় বহু মানুষ অ্যাজমার ঝুঁকিতে বাস করছেন। পরিবেশ দূষণ রোধে সরকারের পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।
এদিকে রোগী অনুপাতে ডাক্তারের অপ্রতুলতা দূর করে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো এবং নতুন করে ১ লক্ষ্য স্বাস্থ্য কর্মী নেওয়ার কথা জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
অ্যাজমা প্রতিরোধে ধুলা-বালি এড়িয়ে চলার পাশাপাশি মানতে হবে চিকিৎসকের দেয়া ব্যবস্থাপত্র। সঠিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময় না হলেও অ্যাজমাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
হঠাৎ কাশি- বুকে বাঁশির মতো শব্দ আর সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা রোগীদের কাছে এসব খুব পরিচিত সমস্যা। কিন্তু সব কাশি বা শ্বাসকষ্ট’ই কী অ্যাজমা? না, চিকিৎসরা বলছেন, অ্যাজমা হলো শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ। সারা বিশ্বে প্রায় ৪০ কোটি মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। যার মধ্যে বাংলাদেশেই বর্তমানে এক কোটির বেশি মানুষ- হাঁপানির সমস্যায় ভুগছেন।
বংশগত ও পরিবেশগত এই দুই কারণে- অ্যাজমা রোগে ভুগতে হয় মানুষকে। বিশ্ব অ্যাজমা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল হলিডে ইনে এক ঝাঁক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, শিক্ষক, পরিবেশ কর্মী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর গোলটেবিল আলোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে।
এটিএন নিউজের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড ও ট্রাইলকের পৃষ্ঠপোষকতায় ‘ফোকাসড গ্রুপ ডিসকাসন ওয়ার্ল্ড অ্যাজমা ডে ২০২৬’ এ বক্তরা বলেন, দিনে দিনে কীভাবে অ্যাজমা ছড়িয়ে পড়ছে। সেই সাথে- এর বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করা হয়।
চিকিৎকরা বলছেন, ছেলে-মেয়ে উভয়ই এ রোগে আক্রান্ত হন। তবে ১ থেকে ১০ বছরের শিশুদের মধ্যে এই আক্রান্তের হার বেশি।
নগরায়ন ফলে বাসা-বাড়ি, রাস্তা-ঘাটের দূষিত বায়ু ও ধোঁয়ায় বহু মানুষ অ্যাজমার ঝুঁকিতে বাস করছেন। পরিবেশ দূষণ রোধে সরকারের পরিকল্পনা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর বন, পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ।
এদিকে রোগী অনুপাতে ডাক্তারের অপ্রতুলতা দূর করে স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো এবং নতুন করে ১ লক্ষ্য স্বাস্থ্য কর্মী নেওয়ার কথা জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।
অ্যাজমা প্রতিরোধে ধুলা-বালি এড়িয়ে চলার পাশাপাশি মানতে হবে চিকিৎসকের দেয়া ব্যবস্থাপত্র। সঠিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ নিরাময় না হলেও অ্যাজমাকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
