দেশের স্বার্থে সামরিক বাহিনী সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করবে
সামরিক বাহিনীকে আরও জনমুখী ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা ও সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক উপদেষ্টা ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। দেশের স্বার্থে ভবিষ্যতে সামরিক বাহিনী সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম সেশন শেষে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এবং বিগত নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর সাহসী ও নিরপেক্ষ ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসকরা। সরকার সামরিক বাহিনীকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করতে দায়বদ্ধ। এ সময় তিনি পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসকদের সরাসরি সহযোগিতা চান উপদেষ্টা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের প্রয়োজনে আগামীতেও সিভিল প্রশাসনের সাথে এক হয়ে কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী।
এরআগে, গত ৩ মে চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ৬ মে পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে ডিসিদের কাছ থেকে পাওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ই-গভর্ন্যান্সকে এবারের সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় অধিবেশনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম সেশন শেষে এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এবং বিগত নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর সাহসী ও নিরপেক্ষ ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসকরা। সরকার সামরিক বাহিনীকে আরও জনমুখী ও শক্তিশালী করতে দায়বদ্ধ। এ সময় তিনি পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসকদের সরাসরি সহযোগিতা চান উপদেষ্টা।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের প্রয়োজনে আগামীতেও সিভিল প্রশাসনের সাথে এক হয়ে কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী।
এরআগে, গত ৩ মে চার দিনব্যাপী ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ৬ মে পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক অংশ নিচ্ছেন।
সম্মেলনে ডিসিদের কাছ থেকে পাওয়া ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাবের মধ্যে ৪৯৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হচ্ছে। স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা, অবকাঠামো উন্নয়ন, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও ই-গভর্ন্যান্সকে এবারের সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশন ও দুর্নীতি দমন কমিশনের সঙ্গে মতবিনিময় অধিবেশনও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
