তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে থালাপতি বিজয়ের নাটকীয় উত্থান : অভিনেতা থেকে মুখ্যমন্ত্রী!
প্রথম নির্বাচনেই বাজিমাত করলেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়। তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে তার দল তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম(টিভিকে) সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে। রাজনীতিতে তার উত্থান যেন এক সিনেমার চিত্রনাট্য।
তামিলনাড়ুর রাজনীতি মানেই একসময় ছিল DMK আর AIADMK’র মধ্যে লড়াই। করুণানিধি আর জয়ললিতার উত্তরসূরিদের সেই চেনা ছক এক ঝটকায় ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন পর্দা কাপানো হিরো থালাপতি বিজয়। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের ডিএমকে জোটকে পেছনে ফেলে প্রথম নির্বাচনেই একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের পথে টিভিকে।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তামিলাগা ভেট্টি কাজগম-TVK দল গঠন করেন বিজয়। এরপরেই দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণা ও আঞ্চলিক আবেগকে হাতিয়ার করে মাত্র দেড় বছরেই সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নেন এই অভিনেতা। গত বছর রাজ্যের কারুর জেলায় আয়োজিত বিজয়ের এক রাজনৈতিক সমাবেশে প্রিয় অভিনেতাকে এক নজর দেখতে সমাবেশে যোগ দেন হাজার হাজার মানুষ। যেখানে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারান অর্ধশত মানুষ। এই ঘটনায় হোচট খেতে হয় বিজয়কে, সমালোচিত হন তিনি। তবে সব বাধা পেরিয়ে নিজের জনপ্রিয়তাকে ব্যালটে ঢোকাতে সফল হয়েছেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই প্রধান দ্রাবিড় দলের বাইরে বিকল্প খুঁজছিলেন ভোটাররা। বিজেপি বা কংগ্রেসের মতো জাতীয় দলের পরিবর্তে ভূমিপুত্র বিজয়ের ওপরই আস্থা রেখেছেন তারা। পাশাপাশি তারুণ্যের শক্তি আর ক্লিন ইমেজ বিজয়কে পৌঁছে দিয়েছে জয়ের দোরগোড়ায়।

সব ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই সাদা পোশাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন রূপালি পর্দার কোট-টাই পরা হিরো থালাপতি বিজয়।
রিপোর্ট : রা. মু/মা. হা
তামিলনাড়ুর রাজনীতি মানেই একসময় ছিল DMK আর AIADMK’র মধ্যে লড়াই। করুণানিধি আর জয়ললিতার উত্তরসূরিদের সেই চেনা ছক এক ঝটকায় ভেঙে চুরমার করে দিয়েছেন পর্দা কাপানো হিরো থালাপতি বিজয়। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের ডিএমকে জোটকে পেছনে ফেলে প্রথম নির্বাচনেই একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠনের পথে টিভিকে।
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে তামিলাগা ভেট্টি কাজগম-TVK দল গঠন করেন বিজয়। এরপরেই দুর্নীতিবিরোধী প্রচারণা ও আঞ্চলিক আবেগকে হাতিয়ার করে মাত্র দেড় বছরেই সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নেন এই অভিনেতা। গত বছর রাজ্যের কারুর জেলায় আয়োজিত বিজয়ের এক রাজনৈতিক সমাবেশে প্রিয় অভিনেতাকে এক নজর দেখতে সমাবেশে যোগ দেন হাজার হাজার মানুষ। যেখানে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারান অর্ধশত মানুষ। এই ঘটনায় হোচট খেতে হয় বিজয়কে, সমালোচিত হন তিনি। তবে সব বাধা পেরিয়ে নিজের জনপ্রিয়তাকে ব্যালটে ঢোকাতে সফল হয়েছেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই প্রধান দ্রাবিড় দলের বাইরে বিকল্প খুঁজছিলেন ভোটাররা। বিজেপি বা কংগ্রেসের মতো জাতীয় দলের পরিবর্তে ভূমিপুত্র বিজয়ের ওপরই আস্থা রেখেছেন তারা। পাশাপাশি তারুণ্যের শক্তি আর ক্লিন ইমেজ বিজয়কে পৌঁছে দিয়েছে জয়ের দোরগোড়ায়।
সব ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই সাদা পোশাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন রূপালি পর্দার কোট-টাই পরা হিরো থালাপতি বিজয়।
রিপোর্ট : রা. মু/মা. হা
