রাজধানীর শাহবাগে একটি বাসা থেকে এ বি এম আবিদ হাসান জিসান (২৬) নামে এক চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিসানের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পলাশপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আহসান হাবিব।
নিহতের সহকর্মী হাফিজুর জানান, জিসান ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ইন্টার্নশিপ শেষ করেছেন। বর্তমানে তিনি ধানমণ্ডির পপুলার হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, আমরা কয়েকজন সহকর্মী মিলে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসায় ভাড়া থাকি। আজ দুপুরে তার রুমমেট দীপ্ত সিংহ তাকে অস্বাভাবিক অবস্থায় বিছানায় দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কী কারণে এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানতে পারেননি তার সহকর্মীরা। মৃত্যুর আগে তিনি কিছু সেবন করেছিলেন কি না, সেটিও জানেন না তারা। তবে জিসান উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা।
দীপ্ত সিংহ বলেন, সকালে রুম থেকে বের হওয়ার সময়ে দেখেছিলাম জিসান তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিল।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (৪ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসা থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিসানের গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পলাশপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম আহসান হাবিব।
নিহতের সহকর্মী হাফিজুর জানান, জিসান ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ইন্টার্নশিপ শেষ করেছেন। বর্তমানে তিনি ধানমণ্ডির পপুলার হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
তিনি আরও জানান, আমরা কয়েকজন সহকর্মী মিলে শাহবাগের হাবিবুল্লাহ রোডের ইউরেকা সালেহা প্যালেস নামের একটি বাসায় ভাড়া থাকি। আজ দুপুরে তার রুমমেট দীপ্ত সিংহ তাকে অস্বাভাবিক অবস্থায় বিছানায় দেখতে পেয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে কী কারণে এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু জানতে পারেননি তার সহকর্মীরা। মৃত্যুর আগে তিনি কিছু সেবন করেছিলেন কি না, সেটিও জানেন না তারা। তবে জিসান উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন সহকর্মীরা।
দীপ্ত সিংহ বলেন, সকালে রুম থেকে বের হওয়ার সময়ে দেখেছিলাম জিসান তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছিল।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক চিকিৎসকের বরাত দিয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
