পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের চেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে বিজেপি
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৯৩টির ভোটগণনা চলছে, এবং এর মধ্যে ১৯২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে আছে ৯৫টি আসনে। এছাড়া, একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে বামপন্থি সিপিএম এবং ৫টি আসনে অন্যান্য প্রার্থীরা লড়াইয়ে এগিয়ে।
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই বিধানসভা নির্বাচন। যদিও আজ সোমবার সব আসনের ফল ঘোষণার কথা ছিল, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সেই কেন্দ্রের ভোট বাতিল করেছে। সেখানে পুনরায় ভোট গ্রহণ হবে ২১ মে এবং গণনা হবে ২৪ মে। ফলে ফলতা বাদে বাকি ২৯৩টি আসনের গণনা চলছে।
ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টা) থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং এরপর ইভিএমের ভোট গণনা শুরু হয়। দিনের শুরুতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাছাকাছি থাকলেও সময়ের সঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূলের ব্যবধান বাড়তে থাকে, এবং বর্তমানে বিজেপি প্রায় ১০০ আসনে এগিয়ে রয়েছে।
আজকের এই ফলাফলই নির্ধারণ করবে আগামী পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ক্ষমতা কার হাতে থাকবে।
ভোট গণনাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে রাখা হয়েছে গণনাকেন্দ্রগুলো। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনুমোদিত কাউন্টিং এজেন্টদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের জন্য কিউআর কোডযুক্ত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না; কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তারাই মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন।
গণনায় বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে ভবানীপুর আসনে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ফলাফলের দিকে। এছাড়া তৃণমূলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর আসনে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা এবং বাগদায় মধুপর্ণা ঠাকুরের ফলাফলেও নজর রয়েছে।
বিজেপির দিক থেকে শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি এবং পানিহাটিতে রত্না দেবনাথের ফলাফলে ভোটারদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, বাম ও অন্যান্য দলের মধ্যে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদীপ মিত্র উল্লেখযোগ্য। কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম এবং আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের নওশাদ সিদ্দিকীও আলোচনায় রয়েছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই বিধানসভা নির্বাচন। যদিও আজ সোমবার সব আসনের ফল ঘোষণার কথা ছিল, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভঙ্গের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন সেই কেন্দ্রের ভোট বাতিল করেছে। সেখানে পুনরায় ভোট গ্রহণ হবে ২১ মে এবং গণনা হবে ২৪ মে। ফলে ফলতা বাদে বাকি ২৯৩টি আসনের গণনা চলছে।
ভারতের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৮টা) থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট এবং এরপর ইভিএমের ভোট গণনা শুরু হয়। দিনের শুরুতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাছাকাছি থাকলেও সময়ের সঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূলের ব্যবধান বাড়তে থাকে, এবং বর্তমানে বিজেপি প্রায় ১০০ আসনে এগিয়ে রয়েছে।
আজকের এই ফলাফলই নির্ধারণ করবে আগামী পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ক্ষমতা কার হাতে থাকবে।
ভোট গণনাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে রাখা হয়েছে গণনাকেন্দ্রগুলো। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনুমোদিত কাউন্টিং এজেন্টদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের জন্য কিউআর কোডযুক্ত পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না; কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তারাই মোবাইল ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন।
গণনায় বিশেষভাবে নজর রাখা হচ্ছে ভবানীপুর আসনে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ফলাফলের দিকে। এছাড়া তৃণমূলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর আসনে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা এবং বাগদায় মধুপর্ণা ঠাকুরের ফলাফলেও নজর রয়েছে।
বিজেপির দিক থেকে শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি এবং পানিহাটিতে রত্না দেবনাথের ফলাফলে ভোটারদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
অন্যদিকে, বাম ও অন্যান্য দলের মধ্যে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদীপ মিত্র উল্লেখযোগ্য। কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম এবং আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের নওশাদ সিদ্দিকীও আলোচনায় রয়েছেন।
সূত্র: আনন্দবাজার
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
