কুমিল্লায় নেতা-কর্মীদের টানা ১২ ঘণ্টার বিক্ষোভের মুখে আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাত ১২টার পর তিনি কোতোয়ালি মডেল থানা থেকে মুক্ত হয়ে বের হন।
এর আগে রোববার দুপুরে নগরীর শাসনগাছা এলাকায় নিজ বাসা থেকে রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আটকের পরপরই তাঁর সমর্থক, বিএনপি নেতা-কর্মী এবং পরিবহনশ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা থানা ঘেরাও করেন। একই সঙ্গে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল অবরোধ করেন পরিবহনশ্রমিকরা। এতে প্রায় চার ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ থাকে এবং দুর্ভোগে পড়েন দূরপাল্লা ও আঞ্চলিক রুটের যাত্রীরা।
রাত পর্যন্ত থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যান নেতা-কর্মীরা। পরে রাত ১২টার পর রেজাউল কাইয়ুমকে ছেড়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
থানা থেকে বের হয়ে রেজাউল কাইয়ুম বলেন, তাঁকে ঘিরে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল এবং অভিযোগগুলো মিথ্যা। তিনি তাঁর মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করা নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে তাঁকে দীর্ঘ সময় থানায় আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ‘সত্যের জয় হয়েছে’ বলেও দাবি করেন তিনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে রাত পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পেছনে শাসনগাছা বাস টার্মিনালের ইজারা, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।
বিকেলে বাস মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল থেকে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
এর আগে রোববার দুপুরে নগরীর শাসনগাছা এলাকায় নিজ বাসা থেকে রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। আটকের পরপরই তাঁর সমর্থক, বিএনপি নেতা-কর্মী এবং পরিবহনশ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রতিবাদে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা থানা ঘেরাও করেন। একই সঙ্গে শাসনগাছা বাস টার্মিনাল অবরোধ করেন পরিবহনশ্রমিকরা। এতে প্রায় চার ঘণ্টা বাস চলাচল বন্ধ থাকে এবং দুর্ভোগে পড়েন দূরপাল্লা ও আঞ্চলিক রুটের যাত্রীরা।
রাত পর্যন্ত থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যান নেতা-কর্মীরা। পরে রাত ১২টার পর রেজাউল কাইয়ুমকে ছেড়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
থানা থেকে বের হয়ে রেজাউল কাইয়ুম বলেন, তাঁকে ঘিরে ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল এবং অভিযোগগুলো মিথ্যা। তিনি তাঁর মুক্তির দাবিতে আন্দোলন করা নেতা-কর্মী ও এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান অভিযোগ করেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে তাঁকে দীর্ঘ সময় থানায় আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত ‘সত্যের জয় হয়েছে’ বলেও দাবি করেন তিনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে রাত পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এর আগে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল আনোয়ার জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পেছনে শাসনগাছা বাস টার্মিনালের ইজারা, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।
বিকেলে বাস মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিকেল থেকে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
