টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলের কারণে কিশোরগঞ্জ জেলার হাওরাঞ্চলে বোরো ধান নিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন কৃষকেরা। অনেক জায়গায় মাঠের পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, আবার যেসব ধান কাটা হয়েছে সেগুলোও শুকাতে না পারায় নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, রোদের অভাবে ধান ঠিকমতো শুকানো যাচ্ছে না। এতে অনেক স্থানে ধান পচে যাচ্ছে, কোথাও আবার কাটা ধান থেকে নতুন করে চারা গজাচ্ছে। ফলে ঘরে ফসল তোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পানির কারণে জেলার নদ-নদীর পানি প্রবাহে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৩ মে) সকাল ৯টা পর্যন্ত ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে ৩.১৬ মিটারে পৌঁছেছে। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে ২.৭৮ মিটার হয়েছে।
অন্যদিকে, অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার কমে ২.৪০ মিটার এবং ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে ১.৭৭ মিটার হয়েছে।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সব নদ-নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টি ও উজানের পানি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিকলী আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৭.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এ অবস্থায় হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকেরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অনেকেই দ্রুত ধান কাটার চেষ্টা করছেন, তবে আবহাওয়ার কারণে সেটিও ব্যাহত হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কৃষকদের দ্রুত ধান ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রায় ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, রোদের অভাবে ধান ঠিকমতো শুকানো যাচ্ছে না। এতে অনেক স্থানে ধান পচে যাচ্ছে, কোথাও আবার কাটা ধান থেকে নতুন করে চারা গজাচ্ছে। ফলে ঘরে ফসল তোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পানির কারণে জেলার নদ-নদীর পানি প্রবাহে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (৩ মে) সকাল ৯টা পর্যন্ত ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার বেড়ে ৩.১৬ মিটারে পৌঁছেছে। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার বেড়ে ২.৭৮ মিটার হয়েছে।
অন্যদিকে, অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি ৫ সেন্টিমিটার কমে ২.৪০ মিটার এবং ভৈরব বাজারে মেঘনা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে ১.৭৭ মিটার হয়েছে।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সব নদ-নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টি ও উজানের পানি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিকলী আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৭.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এ অবস্থায় হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকেরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অনেকেই দ্রুত ধান কাটার চেষ্টা করছেন, তবে আবহাওয়ার কারণে সেটিও ব্যাহত হচ্ছে।
কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং কৃষকদের দ্রুত ধান ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রায় ৯ হাজার ৪৫ হেক্টর জমির ধান পানিতে ডুবে গেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
