ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে বেরিয়ে এলো যে চাঞ্চল্যকর তথ্য
৮৬ বিশ্বকাপের সেই ঈশ্বরপ্রদত্ত বাঁ-পায়ে গোটা বিশ্বকে নাচিয়েছিলেন তিনি। ফুটবল মাঠের সেই মহানায়ক ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে এখনো রহস্যের জট কাটছে না। তবে বুয়েনস এইরেসের আদালতে এবার উঠে এলো এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। চিকিৎসায় গাফিলতির যে অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে, তা নিয়ে কী বলছেন তিনি? আর ঠিক কতটা যন্ত্রণাময় ছিল ফুটবল জাদুকরের শেষ দিনগুলো?
ম্যারাডোনার মৃত্যুতে চিকিৎসকদের গাফিলতি ছিল কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন আদালত। অভিযুক্ত সাত চিকিৎসক ও নার্সের বিরুদ্ধে মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলছে বুয়েনস এইরেসের একটি আদালতে।
মামলার শুনানিতে কোকেন ও অ্যালকোহলে আসক্তির পাশাপাশি ম্যারাডোনার বড় দুটি মানসিক সমস্যার তথ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে এসেছে। ম্যারাডোনার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মনোবিদ কার্লোস দিয়াজ আদালতকে জানিয়েছেন, ’৮৬ বিশ্বকাপজয়ী মহানায়ক বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে ভুগছিলেন।
দিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ম্যারাডোনার চিকিৎসায় ভুল অসুধ প্রয়োগ করেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে দিয়াজ জানান, ‘আসক্তির পাশাপাশি দিয়েগো বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি ফুটবল জাদু দেখিয়ে একটি দেশকে হাঁটু গেঁড়ে বসিয়ে দিতে পারতেন; কিন্তু তাকে মাটিতে নামিয়ে আনার জন্য এক গ্লাস অ্যালকোহলই যথেষ্ট ছিল।’
বাইপোলার ডিজঅর্ডার হলো আবেগ ও মানসিক অবস্থার বিপরীতমুখী পরিবর্তন। আর নার্সিসিজম হচ্ছে সব সময় নিজের প্রতি মুগ্ধ থাকার প্রবণতা। দিয়াজের দাবি, অ্যালকোহল ছেড়ে ম্যারাডোনা নিজের জীবনযাত্রা পুরো বদলে ফেলতে চেয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে টানা ২৩ দিন কোনো মাদক গ্রহণ করেননি ম্যারাডোনা।
ম্যারাডোনার মৃত্যুর আইনি লড়াইয়ে চিকিৎসকদের গাফিলতি ও তার ব্যক্তিগত জীবনের লড়াই সামনে এলেও, ট্র্যাজিক এই মহানায়ক কোটি ভক্তের হৃদয়ে তার জাদুকরী ফুটবল শৈলীর জন্য অমর হয়ে থাকবেন। এই আইনি লড়াইয়ের চূড়ান্ত রায় কী আসবে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
ম্যারাডোনার মৃত্যুতে চিকিৎসকদের গাফিলতি ছিল কিনা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন আদালত। অভিযুক্ত সাত চিকিৎসক ও নার্সের বিরুদ্ধে মামলার বিচারিক কার্যক্রম চলছে বুয়েনস এইরেসের একটি আদালতে।
মামলার শুনানিতে কোকেন ও অ্যালকোহলে আসক্তির পাশাপাশি ম্যারাডোনার বড় দুটি মানসিক সমস্যার তথ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে এসেছে। ম্যারাডোনার চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা মনোবিদ কার্লোস দিয়াজ আদালতকে জানিয়েছেন, ’৮৬ বিশ্বকাপজয়ী মহানায়ক বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে ভুগছিলেন।
দিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ম্যারাডোনার চিকিৎসায় ভুল অসুধ প্রয়োগ করেছেন। অভিযোগ অস্বীকার করে দিয়াজ জানান, ‘আসক্তির পাশাপাশি দিয়েগো বাইপোলার ডিজঅর্ডার ও নার্সিসিজমে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি ফুটবল জাদু দেখিয়ে একটি দেশকে হাঁটু গেঁড়ে বসিয়ে দিতে পারতেন; কিন্তু তাকে মাটিতে নামিয়ে আনার জন্য এক গ্লাস অ্যালকোহলই যথেষ্ট ছিল।’
বাইপোলার ডিজঅর্ডার হলো আবেগ ও মানসিক অবস্থার বিপরীতমুখী পরিবর্তন। আর নার্সিসিজম হচ্ছে সব সময় নিজের প্রতি মুগ্ধ থাকার প্রবণতা। দিয়াজের দাবি, অ্যালকোহল ছেড়ে ম্যারাডোনা নিজের জীবনযাত্রা পুরো বদলে ফেলতে চেয়েছিলেন। মৃত্যুর আগে টানা ২৩ দিন কোনো মাদক গ্রহণ করেননি ম্যারাডোনা।
ম্যারাডোনার মৃত্যুর আইনি লড়াইয়ে চিকিৎসকদের গাফিলতি ও তার ব্যক্তিগত জীবনের লড়াই সামনে এলেও, ট্র্যাজিক এই মহানায়ক কোটি ভক্তের হৃদয়ে তার জাদুকরী ফুটবল শৈলীর জন্য অমর হয়ে থাকবেন। এই আইনি লড়াইয়ের চূড়ান্ত রায় কী আসবে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থেকেই যায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
