ATN
শিরোনাম
  •  

আমদানি শুল্ক বাড়ায় কমেছে ইঞ্জিন অয়েলের চাহিদা

         
আমদানি শুল্ক বাড়ায় কমেছে ইঞ্জিন অয়েলের চাহিদা

আমদানি শুল্ক বাড়ায় কমেছে ইঞ্জিন অয়েলের চাহিদা

নয় মাস পার হলেও, ইঞ্জিন অয়েল বা লুব্রিক্যান্ট আমদানির ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্যে শুল্কায়ন, কার্যকর করেনি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। যার দায় ভোগ করছেন যানবাহন ও শিল্প-মালিকরা। আমদানি শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে দামও, আর কমেছে চাহিদা। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজেটে আমদানি-নির্ভর পণ্যে যৌক্তিক শুল্কায়নে গুরুত্ব দিতে হবে।

দেশে ব্যবহার্য লুব্রিক্যান্ট বা ইঞ্জিন অয়েলের পুরোটাই আমদানি-নির্ভর। তবে বৈশ্বিক অস্থিরতায় মূল্যস্ফীতি বাড়ার পাশাপাশি, আমদানিতে উচ্চ শুল্কের কারণে লুব্রিক্যান্টের চাহিদা কমেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত প্যাকেটজাত লুব্রিক্যান্ট আমদানি হতো একটি এইচ এস কোডে। আর প্রতি মেট্রিক টনে ট্যারিফ ভ্যালু ছিল ২০০০ ডলার। এর পরের বাজেটে লুব্রিক্যান্টকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে এনবিআর। এতে তিনটি এইচ এস কোড করায় ট্যারিফ ভ্যালু দাঁড়ায় সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার। ফলে এক প্যাকেট লুব্রিক্যান্টে কর দিতে হচ্ছে ১৫০ থেকে প্রায় ৩০০ টাকা।

ব্যবসায়ীদের দাবি মেনে চলতি অর্থবছরে এইচ এস কোড তুলে দিয়ে ক্রয়মূল্যে শুল্ক হার নির্ধারণ করে এনবিআর। তবে দফায় দফায় চিঠি দিলেও, এ সিদ্ধান্ত এখনো বাস্তবায়ন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা।

তাই আসছে বাজেটে লুব্রিক্যান্ট আমদানি ও বিপণনে যৌক্তিক শুল্কায়নের পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। শুল্ক ও কর আরোপ এবং আদায় ব্যবস্থায়, ব্যবসায়ীদের হয়রানি করা বন্ধের পরামর্শও দিয়েছেন তারা।

রিপোর্ট : সে. মা/মা. হা
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট অর্থনীতি সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ