চীন সফরকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্র-কে সতর্কবার্তা দিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, তাইওয়ান ইস্যু দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে রয়ে গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র সঙ্গে ফোনালাপ করেন ওয়াং ই। এ সময় তিনি দুই দেশের মধ্যে কষ্টার্জিত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ফোনালাপ মূলত আসন্ন চীন সফরকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতির অংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ১৪ থেকে ১৫ মে চীন সফর করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরকালে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি হবে তার প্রথম চীন সফর।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও শুল্ক নিয়ে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই নেতার বৈঠকের পর সাময়িক সমঝোতা হয়।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই দেশকে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ জোরদার করতে হবে, সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করতে হবে এবং মতবিরোধগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, চীন তাইওয়ান-কে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও সমর্থনের কড়া বিরোধিতা করে বেইজিং।
ওয়াং ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে এবং বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
এদিকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেছেন, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র সঙ্গে ফোনালাপ করেন ওয়াং ই। এ সময় তিনি দুই দেশের মধ্যে কষ্টার্জিত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ফোনালাপ মূলত আসন্ন চীন সফরকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতির অংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ১৪ থেকে ১৫ মে চীন সফর করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সফরকালে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর এটি হবে তার প্রথম চীন সফর।
উল্লেখ্য, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও শুল্ক নিয়ে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই নেতার বৈঠকের পর সাময়িক সমঝোতা হয়।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই দেশকে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ জোরদার করতে হবে, সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করতে হবে এবং মতবিরোধগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, চীন তাইওয়ান-কে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা ও সমর্থনের কড়া বিরোধিতা করে বেইজিং।
ওয়াং ই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে এবং বিশ্ব শান্তি বজায় রাখতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
এদিকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেছেন, তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
