মিয়ানমারের কারাবন্দী সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে কারাগার থেকে সরিয়ে গৃহবন্দী হিসেবে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম।
জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের বিবৃতির বরাতে জানানো হয়, সু চির অবশিষ্ট সাজা ‘নির্ধারিত বাসস্থানে’ কাটানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে তাকে দুই সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা যায়।
তবে এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সু চির ছেলে কিম অ্যারিস। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তার মা বেঁচে আছেন কি না, সে সম্পর্কেও তার কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই। প্রকাশিত ছবিটিকেও তিনি ‘অর্থহীন’ বলে উল্লেখ করেন, কারণ সেটি পুরোনো বলে দাবি করেছেন তিনি।
এর আগে সু চির আইনজীবী জানান, তার সাজার মেয়াদ আংশিক কমানো হয়েছে। তবে গৃহবন্দী অবস্থায় বাকি সাজা ভোগের বিষয়টি তখনো নিশ্চিত ছিল না।
কিম অ্যারিস বলেন, যতক্ষণ না তিনি সরাসরি মায়ের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন বা স্বাধীনভাবে তার অবস্থান যাচাই করা যাচ্ছে, ততক্ষণ এ ধরনের কোনো দাবি বিশ্বাস করা কঠিন।
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই তাকে আটক রাখা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে তার সঙ্গে আইনজীবী বা পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
উল্লেখ্য, নোবেলজয়ী এই নেত্রীকে মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোর একটি সামরিক কারাগারে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, দেশটির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের বিবৃতির বরাতে জানানো হয়, সু চির অবশিষ্ট সাজা ‘নির্ধারিত বাসস্থানে’ কাটানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে তাকে দুই সামরিক কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা যায়।
তবে এ বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন সু চির ছেলে কিম অ্যারিস। তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তার মা বেঁচে আছেন কি না, সে সম্পর্কেও তার কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই। প্রকাশিত ছবিটিকেও তিনি ‘অর্থহীন’ বলে উল্লেখ করেন, কারণ সেটি পুরোনো বলে দাবি করেছেন তিনি।
এর আগে সু চির আইনজীবী জানান, তার সাজার মেয়াদ আংশিক কমানো হয়েছে। তবে গৃহবন্দী অবস্থায় বাকি সাজা ভোগের বিষয়টি তখনো নিশ্চিত ছিল না।
কিম অ্যারিস বলেন, যতক্ষণ না তিনি সরাসরি মায়ের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন বা স্বাধীনভাবে তার অবস্থান যাচাই করা যাচ্ছে, ততক্ষণ এ ধরনের কোনো দাবি বিশ্বাস করা কঠিন।
২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সু চির নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকেই তাকে আটক রাখা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে তার সঙ্গে আইনজীবী বা পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
উল্লেখ্য, নোবেলজয়ী এই নেত্রীকে মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোর একটি সামরিক কারাগারে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, দেশটির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
