যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করতে যাচ্ছে জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে এ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ বিমানের পক্ষে এবং বোয়িংয়ের একজন প্রতিনিধি কোম্পানির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও বিমান খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন।
জানা যায়, প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা পূরণ, বহর আধুনিকায়ন এবং দীর্ঘ রুটে সক্ষমতা বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার রুটে পরিচালিত হবে এবং ৭৩৭ ম্যাক্স জেটগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ব্যবহার করা হবে।
এই চুক্তিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে গত তিন বছর ধরে বোয়িং ও ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের মধ্যে চলা প্রতিযোগিতারও অবসান ঘটছে।
উল্লেখ্য, বহর সম্প্রসারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বোয়িং ও এয়ারবাসের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছিল। বিভিন্ন কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত বোয়িংয়ের সঙ্গেই চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কায়জার সোহেল আহমেদ বিমানের পক্ষে এবং বোয়িংয়ের একজন প্রতিনিধি কোম্পানির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, কূটনীতিক ও বিমান খাতের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত থাকবেন।
জানা যায়, প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মধ্যে রয়েছে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ক্রমবর্ধমান যাত্রী চাহিদা পূরণ, বহর আধুনিকায়ন এবং দীর্ঘ রুটে সক্ষমতা বাড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার রুটে পরিচালিত হবে এবং ৭৩৭ ম্যাক্স জেটগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে ব্যবহার করা হবে।
এই চুক্তিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে গত তিন বছর ধরে বোয়িং ও ইউরোপীয় নির্মাতা এয়ারবাসের মধ্যে চলা প্রতিযোগিতারও অবসান ঘটছে।
উল্লেখ্য, বহর সম্প্রসারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বোয়িং ও এয়ারবাসের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছিল। বিভিন্ন কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনার পর শেষ পর্যন্ত বোয়িংয়ের সঙ্গেই চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
