অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় নাগরিকদের সহায়তা দিতে নতুন একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইরান সরকার। এই পরিকল্পনার আওতায় দেশটির নাগরিকরা প্রয়োজনীয় পণ্য বাকিতে কিনতে পারবেন এবং ঋণ পরিশোধে সরকার সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকারি সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো প্রতি দুই মাসে একবার দোকান থেকে মৌলিক পণ্য বাকিতে কিনতে পারবে। তবে কেনাকাটার পরিমাণ তাদের প্রাপ্ত ভাতার সীমার মধ্যেই রাখতে হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কর্মসূচির অর্থায়ন করা হবে বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে তেহরানভিত্তিক পত্রিকা ‘ডোনিয়া-ই-ইকতেসাদ’ চলতি বছরে মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য তিনটি চিত্র তুলে ধরেছে। পত্রিকাটির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা হলে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৪৯ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে।
তবে ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৬৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। আর সংঘাত তীব্র হলে দেশটি অতিমূল্যস্ফীতির মুখে পড়তে পারে, যেখানে মূল্যস্ফীতির হার ১২৩ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই উদ্যোগ স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সাময়িক স্বস্তি আনতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকারি সহায়তা পাওয়া পরিবারগুলো প্রতি দুই মাসে একবার দোকান থেকে মৌলিক পণ্য বাকিতে কিনতে পারবে। তবে কেনাকাটার পরিমাণ তাদের প্রাপ্ত ভাতার সীমার মধ্যেই রাখতে হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই কর্মসূচির অর্থায়ন করা হবে বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে। সাম্প্রতিক সময়ে ইরানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
এদিকে তেহরানভিত্তিক পত্রিকা ‘ডোনিয়া-ই-ইকতেসাদ’ চলতি বছরে মূল্যস্ফীতির সম্ভাব্য তিনটি চিত্র তুলে ধরেছে। পত্রিকাটির মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা হলে মূল্যস্ফীতি প্রায় ৪৯ শতাংশে সীমিত থাকতে পারে।
তবে ‘না যুদ্ধ, না শান্তি’ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৬৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। আর সংঘাত তীব্র হলে দেশটি অতিমূল্যস্ফীতির মুখে পড়তে পারে, যেখানে মূল্যস্ফীতির হার ১২৩ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই উদ্যোগ স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য সাময়িক স্বস্তি আনতে পারে, তবে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
