বিরোধী দলের সংসদীয় জ্ঞান ও শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সেতুমন্ত্রী
বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সংসদীয় জ্ঞান ও শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের রাজনীতি শেখার পরামর্শ দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ পরামর্শ দেন তিনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলের সদস্যরা প্রায়ই জানেন না কোন বিধিতে কী বলতে হয় বা কোন ইস্যুতে কীভাবে সোচ্চার হতে হয়। বিরোধী দলের সদস্যদের শানিত ও পরিপক্ব করতে প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা উচিত, যাতে তারা সংসদীয় রীতিনীতি রপ্ত করতে পারেন।
তিনি বলেন, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি দল, যাদের জনগণ কখনও ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসায়নি, তাদের যন্ত্রণা থাকা স্বাভাবিক। যারা নির্বাচনের আগে নিজেদের অপকর্মের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়, তারা রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
শেখ রবিউল আলম বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করে কোনো লাভ হবে না, কারণ ২৬-এর নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে সেই অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ৭১ শতাংশ মানুষ রায় দিয়েছে, যার মধ্যে ৫১ শতাংশই চেয়েছে বিএনপির দেওয়া ফর্মুলায় দেশ চলুক।
নিজের রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আজকের এই পার্লামেন্ট কারও করুণার দান নয়, বরং ১৭ বছরের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল। নিজে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে ১৯৩টি মামলার শিকার হয়েছি, ৯ বার জেল খেটেছি এবং গুম ও রিমান্ডের দুঃসহ স্মৃতি সহ্য করেছি।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, হাজারো নেতাকর্মীর জীবনের বিনিময়ে যে গণতন্ত্র এসেছে, তা কোনো গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্রে নস্যাৎ হতে দেওয়া হবে না। জনসমর্থনহীন রাজনীতি ছেড়ে গঠনমূলক পথে আসার চেষ্টা করুন, নতুবা ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ পরামর্শ দেন তিনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলের সদস্যরা প্রায়ই জানেন না কোন বিধিতে কী বলতে হয় বা কোন ইস্যুতে কীভাবে সোচ্চার হতে হয়। বিরোধী দলের সদস্যদের শানিত ও পরিপক্ব করতে প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা উচিত, যাতে তারা সংসদীয় রীতিনীতি রপ্ত করতে পারেন।
তিনি বলেন, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি দল, যাদের জনগণ কখনও ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসায়নি, তাদের যন্ত্রণা থাকা স্বাভাবিক। যারা নির্বাচনের আগে নিজেদের অপকর্মের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়, তারা রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
শেখ রবিউল আলম বলেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করে কোনো লাভ হবে না, কারণ ২৬-এর নির্বাচনে দেশের মানুষ বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়ে সেই অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ৭১ শতাংশ মানুষ রায় দিয়েছে, যার মধ্যে ৫১ শতাংশই চেয়েছে বিএনপির দেওয়া ফর্মুলায় দেশ চলুক।
নিজের রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আজকের এই পার্লামেন্ট কারও করুণার দান নয়, বরং ১৭ বছরের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ফসল। নিজে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে ১৯৩টি মামলার শিকার হয়েছি, ৯ বার জেল খেটেছি এবং গুম ও রিমান্ডের দুঃসহ স্মৃতি সহ্য করেছি।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, হাজারো নেতাকর্মীর জীবনের বিনিময়ে যে গণতন্ত্র এসেছে, তা কোনো গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্রে নস্যাৎ হতে দেওয়া হবে না। জনসমর্থনহীন রাজনীতি ছেড়ে গঠনমূলক পথে আসার চেষ্টা করুন, নতুবা ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
