ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ হবে কাল। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।
গত ২৩ এপ্রিল প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হয়। কাল বুধবার (২৯ এপ্রিল) হবে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ। এতে পশ্চিমবঙ্গের সাতটি বিভাগের ১৪২টি আসনে ৩ কোটি ২১ লাখ মানুষ ভোট দেবেন। এ উপলক্ষে ভারতীয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২ হাজার ৪০০ কোম্পানিকে মোতায়েন করা হয়েছে।
বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে যাওয়া রাস্তায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেখানে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
গত ২৬ এপ্রিল থেকে এ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। যা কাল ভোটগ্রহণ পর্যন্ত চলবে।
চলাচল সীমিতের বিষয়টি পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর।
পিটিআইকে বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন, “উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সীমান্ত এলাকাগুলোতে ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মানুষ এবং যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যা ভো শেষ হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।”
সূত্র: দ্য হিন্দু
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
গত ২৩ এপ্রিল প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ হয়। কাল বুধবার (২৯ এপ্রিল) হবে দ্বিতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ। এতে পশ্চিমবঙ্গের সাতটি বিভাগের ১৪২টি আসনে ৩ কোটি ২১ লাখ মানুষ ভোট দেবেন। এ উপলক্ষে ভারতীয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২ হাজার ৪০০ কোম্পানিকে মোতায়েন করা হয়েছে।
বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে যাওয়া রাস্তায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেখানে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়েছে।
গত ২৬ এপ্রিল থেকে এ কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। যা কাল ভোটগ্রহণ পর্যন্ত চলবে।
চলাচল সীমিতের বিষয়টি পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর।
পিটিআইকে বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট বলেছেন, “উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সীমান্ত এলাকাগুলোতে ২৬ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মানুষ এবং যানবাহন চলাচলে কড়াকড়ি বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। যা ভো শেষ হওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।”
সূত্র: দ্য হিন্দু
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
