বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে ইরান
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় শান্তি আলোচনার অনুরোধ করছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে তেহরান। সোমবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সেন্ট পিটার্সবার্গে বৈঠকে ওই মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
নিজের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাবটি তেহরান খতিয়ে দেখছে। রাশিয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় এই আলোচনার অনুরোধ করেছেন ট্রাম্প।
সংঘাত নিরসনে আলোচনার জন্য নিজের দুই দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান যদি আলোচনা করতে চায়, তাহলে তারা আমাকে টেলিফোন করতে পারে।
সেন্ট পিটার্সবার্গে আরাঘচি বলেন, ইরান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পরাশক্তির (যুক্তরাষ্ট্র) বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। ওয়াশিংটন তাদের একটি লক্ষ্যও পূরণ করতে পারেনি। তিনি বলেন, "সে কারণে তারা আলোচনার অনুরোধ জানিয়েছে এবং আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনও বার্তা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ইরানের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তেহরানের প্রতি মস্কোর সমর্থনের জন্য ক্রেমলিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, রাশিয়ার মতো ইরানের অনেক ভালো বন্ধু ও মিত্র রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে আরাঘচি বলেন, ‘‘আমরা পুরো বিশ্বকে প্রমাণ করেছি, রুশ ফেডারেশনের মতো ইরানের অত্যন্ত ভালো মিত্র ও বন্ধু রয়েছে।’’
তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতি আপনাদের দৃঢ় ও অবিচল অবস্থানের জন্য আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আরাঘচি বলেন, ইরান ও রাশিয়া কৌশলগত অংশীদার; তারা সব সময় ইরানকে সমর্থন এবং ইরানও একই কাজ করে। তাদের এই সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। এটি এখন স্পষ্ট, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একটি স্থিতিশীল, সুসংহত এবং শক্তিশালী রাষ্ট্র।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
নিজের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আলোচনার প্রস্তাবটি তেহরান খতিয়ে দেখছে। রাশিয়ায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের কোনও লক্ষ্য অর্জন করতে না পারায় এই আলোচনার অনুরোধ করেছেন ট্রাম্প।
সংঘাত নিরসনে আলোচনার জন্য নিজের দুই দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান যদি আলোচনা করতে চায়, তাহলে তারা আমাকে টেলিফোন করতে পারে।
সেন্ট পিটার্সবার্গে আরাঘচি বলেন, ইরান বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পরাশক্তির (যুক্তরাষ্ট্র) বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। ওয়াশিংটন তাদের একটি লক্ষ্যও পূরণ করতে পারেনি। তিনি বলেন, "সে কারণে তারা আলোচনার অনুরোধ জানিয়েছে এবং আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনও বার্তা এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ইরানের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তেহরানের প্রতি মস্কোর সমর্থনের জন্য ক্রেমলিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইরানের এই শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, রাশিয়ার মতো ইরানের অনেক ভালো বন্ধু ও মিত্র রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে আরাঘচি বলেন, ‘‘আমরা পুরো বিশ্বকে প্রমাণ করেছি, রুশ ফেডারেশনের মতো ইরানের অত্যন্ত ভালো মিত্র ও বন্ধু রয়েছে।’’
তিনি বলেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতি আপনাদের দৃঢ় ও অবিচল অবস্থানের জন্য আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আরাঘচি বলেন, ইরান ও রাশিয়া কৌশলগত অংশীদার; তারা সব সময় ইরানকে সমর্থন এবং ইরানও একই কাজ করে। তাদের এই সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। এটি এখন স্পষ্ট, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান একটি স্থিতিশীল, সুসংহত এবং শক্তিশালী রাষ্ট্র।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
