চট্টগ্রাম থেকে গভীর রাতে কুমিল্লায় ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হয়েছেন বুলেট বৈরাগী নামের এক কাস্টমস কর্মকর্তা। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনো হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, ডিবি, সিআইডি ও পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা কাজ করছে।
এ ঘটনায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের মা নীলিমা বৈরাগী। বিষয়টি রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল মোস্তফা।
রোববার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহটি কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হয়। এ সময় নিহতের স্বজনদের কান্নায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সহকর্মীরা মরদেহে শ্রদ্ধা জানান। পরে কাস্টমস কমিশনার আবদুল মান্নান সরদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কাস্টমস কমিশনার আবদুল মান্নান সরদার বলেন, ঘটনার পর থেকেই তারা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করছে। তিনি নিহতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এর আগে শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি এলাকায় একটি সড়কের পাশ থেকে বুলেট বৈরাগীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশ।
নিহত বুলেট বৈরাগীর বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তিনি কুমিল্লার বিবির বাজার স্থল বন্দরে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং নগরীর রাজাগঞ্জ পানপট্টি এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী বুলেট বৈরাগী ৪১তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে চাকরিতে যোগ দেন প্রায় দেড় বছর আগে। গত ১১ এপ্রিল প্রশিক্ষণের জন্য চট্টগ্রামে যান। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
নিহতের মা নীলিমা বৈরাগী জানান, রাত ২টা ২৫ মিনিটের দিকে ছেলে ফোন করে কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় পৌঁছানোর কথা জানায়। এরপর তার ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা কথা বলেন এবং পরে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
নিহতের বাবা সুশীল বৈরাগী বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে তারা দিশেহারা। মরদেহ গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে গিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।
পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে সব ইউনিট একযোগে কাজ করছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যেই জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
তবে পুলিশ জানিয়েছে, চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, ডিবি, সিআইডি ও পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা কাজ করছে।
এ ঘটনায় শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের মা নীলিমা বৈরাগী। বিষয়টি রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল মোস্তফা।
রোববার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহটি কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হয়। এ সময় নিহতের স্বজনদের কান্নায় শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সহকর্মীরা মরদেহে শ্রদ্ধা জানান। পরে কাস্টমস কমিশনার আবদুল মান্নান সরদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
কাস্টমস কমিশনার আবদুল মান্নান সরদার বলেন, ঘটনার পর থেকেই তারা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করছে। তিনি নিহতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
এর আগে শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি এলাকায় একটি সড়কের পাশ থেকে বুলেট বৈরাগীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশ।
নিহত বুলেট বৈরাগীর বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তিনি কুমিল্লার বিবির বাজার স্থল বন্দরে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং নগরীর রাজাগঞ্জ পানপট্টি এলাকায় পরিবারসহ বসবাস করতেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী বুলেট বৈরাগী ৪১তম বিসিএসের নন-ক্যাডার পদে চাকরিতে যোগ দেন প্রায় দেড় বছর আগে। গত ১১ এপ্রিল প্রশিক্ষণের জন্য চট্টগ্রামে যান। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাতে প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
নিহতের মা নীলিমা বৈরাগী জানান, রাত ২টা ২৫ মিনিটের দিকে ছেলে ফোন করে কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় পৌঁছানোর কথা জানায়। এরপর তার ফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা কথা বলেন এবং পরে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
নিহতের বাবা সুশীল বৈরাগী বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে তারা দিশেহারা। মরদেহ গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিয়ে গিয়ে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে।
পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে সব ইউনিট একযোগে কাজ করছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যেই জড়িতদের শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
