সারা দেশে পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন জেলায় এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এতে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
মৃতদের মধ্যে গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ জন এবং পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জন রয়েছেন।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা এবং ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে পৃথক স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শিশু ফুয়াদ ও তার চাচাতো ভাই শিশু রাফি, সাদুল্লাপুর উপজেলার আলী আকবর। অপর একজনের পরিচয় জানা যায়নি।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মণ্ডল জানান, রোববার দুপুরে দক্ষিণ ধোপাডাংডা এলাকায় একটি বাড়ির বারান্দায় খেলার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে শিশু ফুয়াদ ও রাফি গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়ায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত হন মিজানুর রহমান নামে এক যুবক। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই দিনে ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরে আলী আকবর নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া সাঘাটা উপজেলায় নম্বর আলী এবং ফুলছড়িতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নাটোর, বগুড়া ও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকাতেও বজ্রপাতে আরও ৭ জনের মৃত্যুর খবর স্থানীয় প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করেছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
মৃতদের মধ্যে গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, জামালপুরে ২ জন, নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ১ জন, বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় ১ জন এবং পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় ১ জন রয়েছেন।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়া, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা এবং ফুলছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে দুই শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুরে পৃথক স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শিশু ফুয়াদ ও তার চাচাতো ভাই শিশু রাফি, সাদুল্লাপুর উপজেলার আলী আকবর। অপর একজনের পরিচয় জানা যায়নি।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান মণ্ডল জানান, রোববার দুপুরে দক্ষিণ ধোপাডাংডা এলাকায় একটি বাড়ির বারান্দায় খেলার সময় হঠাৎ বজ্রপাত হলে শিশু ফুয়াদ ও রাফি গুরুতর আহত হয়। পরে তাদের গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, সাদুল্লাপুর উপজেলার কামারপাড়ায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আহত হন মিজানুর রহমান নামে এক যুবক। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই দিনে ফুলছড়ি উপজেলার বুলবুলির চরে আলী আকবর নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া সাঘাটা উপজেলায় নম্বর আলী এবং ফুলছড়িতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নাটোর, বগুড়া ও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকাতেও বজ্রপাতে আরও ৭ জনের মৃত্যুর খবর স্থানীয় প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করেছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
