বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু
বগুড়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে রাইয়ান নামের ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ জানান, রাইয়ান গত ১৭ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। সে আগে থেকেই সেরিব্রাল পালসি, ব্রঙ্কো নিউমোনিয়া ও হার্ট ফেইলরসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল। পরবর্তীতে শরীরে জ্বর ও র্যাশ দেখা দিলে তাকে হামের বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে রাইয়ানের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল এখনো না আসায় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে তার হামে মৃত্যু হয়েছে কি না।
শজিমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, বর্তমানে হাসপাতালে হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫০ শয্যার একটি বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮৫ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ৩৮জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত ১২৩টি নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলেও মাত্র ৪ জনের শরীরে হামের অস্তিত্ব বা পজিটিভ রেজাল্ট পাওয়া গেছে।
রাইয়ান ছাড়াও এর আগে একই ওয়ার্ডে হুমায়রা নামে ১০ মাস বয়সী আরও এক শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যায়। এ নিয়ে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট দুজনের মৃত্যু হলো। এছাড়া ল্যাব পরীক্ষায় ১ জন শিশুর ক্ষেত্রে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ জানান, রাইয়ান গত ১৭ এপ্রিল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। সে আগে থেকেই সেরিব্রাল পালসি, ব্রঙ্কো নিউমোনিয়া ও হার্ট ফেইলরসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল। পরবর্তীতে শরীরে জ্বর ও র্যাশ দেখা দিলে তাকে হামের বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয় এবং সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে রাইয়ানের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল এখনো না আসায় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না যে তার হামে মৃত্যু হয়েছে কি না।
শজিমেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, বর্তমানে হাসপাতালে হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫০ শয্যার একটি বিশেষ আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। গত ২৯ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট ১৮৫ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ৩৮জন চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত ১২৩টি নমুনা পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলেও মাত্র ৪ জনের শরীরে হামের অস্তিত্ব বা পজিটিভ রেজাল্ট পাওয়া গেছে।
রাইয়ান ছাড়াও এর আগে একই ওয়ার্ডে হুমায়রা নামে ১০ মাস বয়সী আরও এক শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যায়। এ নিয়ে হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট দুজনের মৃত্যু হলো। এছাড়া ল্যাব পরীক্ষায় ১ জন শিশুর ক্ষেত্রে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
