ATN
শিরোনাম
  •  

জ্বালানি সংকটে উৎপাদন কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ

         
জ্বালানি সংকটে উৎপাদন কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ

জ্বালানি সংকটে উৎপাদন কমেছে প্রায় ৩০ শতাংশ

জ্বালানি সংকটে ভুগছে দেশের উৎপাদনমুখী বিভিন্ন খাত। গ্যাস-বিদ্যুতের ঘাটতিতে উৎপাদন কমেছে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়, ব্যাহত হচ্ছে রপ্তানি। বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে অর্থনীতি মারাত্মক হুমকিতে পড়বে, বাড়বে বেকারত্ব।

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ না পেয়ে, দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক শিল্পসহ উৎপাদনমুখী খাতগুলো বছরের পর বছর ধরে জেনারেটর-নির্ভর। যা' চালাতে দরকার হয় ডিজেল, ফার্নেস অয়েল ও এলপিজির মতো জ্বালানি।

চলমান মধ্যপ্রাচ্য সঙ্কটে উৎপাদনমুখী খাতে বড় ধাক্কা লেগেছে। প্রতিদিন ১০ ঘণ্টার কর্মসময়ে লোডশেডিং হচ্ছে ২ ঘণ্টারও বেশি। গ্যাসের চাপ কম থাকায় নির্ভরতা বেড়েছে জেনারেটরে।

জ্বালানি সংকটে বিপাকে পড়েছেন উৎপাদকরা। বাড়তি দামেও মিলছে না প্রয়োজনীয় ডিজেল বা অন্য জ্বালানি।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো- ইপিবি'র তথ্য বলছে, গত বছরের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এক বছরে তৈরি পোশাক খাতে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় সাড়ে ১৯ শতাংশ। জ্বলানি সংকটের কারণে তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কটের এ সময়ে দেশীয় শিল্পে সরকারের সহযোগিতা জরুরি। জ্বালানি সংকটে উৎপাদনমুখী খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে রাজস্ব আয় কমে ঋণ-নির্ভরতা বাড়বে বলেও সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।

রিপোর্ট : মা.সে/মা. হা
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট অর্থনীতি সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ