ইসলামাবাদে আরাগচি, পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে পাকিস্তানে পৌঁছেছে। সেখানে সেরেনা হোটেলে পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠকও করেন তিনি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ফার্সি ভাষার স্যাটেলাইট টেলিভিশন ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপ এগিয়ে নিতে পাকিস্তান যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ধারাবাহিকতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে ডন জানিয়েছিল, দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আরাগচির নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ পৌঁছায়। শুক্রবার রাতেই তাদের বহনকারী বিমান সেখানে অবতরণ করে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, বিমানবন্দরে আরাঘচিকে স্বাগত জানান ইসহাক দার, সেনাপ্রধান আসিম মুনিরসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
তাহির আন্দ্রাবি বলেন, সফরকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতির পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য চলমান প্রচেষ্টাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার ৪০ দিন পর, ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারপর গত ১১ এপ্রিল এই সেরেনা হোটেলেই প্রথম দফা সংলাপে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিরা। সেই সংলাপে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতা ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।
১১ এপ্রিলের সেই সংলাপের লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি ও সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর; কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে বৈঠক ও আলোচনার পরও ব্যর্থ হয় সেই সংলাপ, চুক্তি স্বাক্ষর না করেই ফিরে যান ভ্যান্স এবং ঘালিবাফ।
এবারের দ্বিতীয় দফা সফরে ইরানি প্রতিনিধি দলে নেই ঘালিবাফ। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে ২য় সংলাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল এবং সেই দলে জে ডি ভ্যান্স অনুপস্থিত। অর্থাৎ, সম্ভাব্য এই দ্বিতীয় দফা সংলাপ যদি অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে ভ্যান্স এবং ঘালিবাফ— কেউই থাকছেন না।
সৈয়দ আরাগচি পাকিস্তানে পৌঁছানোর পর কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির দপ্তরের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলেছে, কাতারের আমির এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে এবং ফোনকলে আমির বলেছেন, যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের এই প্রয়াসকে কাতার পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে দোহা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ফার্সি ভাষার স্যাটেলাইট টেলিভিশন ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সংলাপ এগিয়ে নিতে পাকিস্তান যে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তার ধারাবাহিকতায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর আগে ডন জানিয়েছিল, দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে আরাগচির নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ পৌঁছায়। শুক্রবার রাতেই তাদের বহনকারী বিমান সেখানে অবতরণ করে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি জানান, বিমানবন্দরে আরাঘচিকে স্বাগত জানান ইসহাক দার, সেনাপ্রধান আসিম মুনিরসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
তাহির আন্দ্রাবি বলেন, সফরকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে সাম্প্রতিক আঞ্চলিক পরিস্থিতির পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য চলমান প্রচেষ্টাগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ার ৪০ দিন পর, ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তারপর গত ১১ এপ্রিল এই সেরেনা হোটেলেই প্রথম দফা সংলাপে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিরা। সেই সংলাপে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধি দলের নেতা ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ।
১১ এপ্রিলের সেই সংলাপের লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি ও সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর; কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে বৈঠক ও আলোচনার পরও ব্যর্থ হয় সেই সংলাপ, চুক্তি স্বাক্ষর না করেই ফিরে যান ভ্যান্স এবং ঘালিবাফ।
এবারের দ্বিতীয় দফা সফরে ইরানি প্রতিনিধি দলে নেই ঘালিবাফ। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে ২য় সংলাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল এবং সেই দলে জে ডি ভ্যান্স অনুপস্থিত। অর্থাৎ, সম্ভাব্য এই দ্বিতীয় দফা সংলাপ যদি অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে ভ্যান্স এবং ঘালিবাফ— কেউই থাকছেন না।
সৈয়দ আরাগচি পাকিস্তানে পৌঁছানোর পর কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তাসংস্থা দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির দপ্তরের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলেছে, কাতারের আমির এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে এবং ফোনকলে আমির বলেছেন, যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের এই প্রয়াসকে কাতার পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে দোহা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
