দেশে তেলের সংকট নেই, এটি সৃষ্টি করা হয়েছে: এলজিআরডি মন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে তেলের সংকট নেই। তবে কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে বলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকার অনুদান বিতরণের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দেশে সরবরাহের জন্য তেলের সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। এ সমস্যাটা তৈরি করা হয়েছে। কিছু মানুষ এখানে অনৈতিক ব্যবসা শুরু করেছে। যে ব্যবসাটা দেশের জন্য জাতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু মানুষ তেল নিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করছে, এটা করতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের কৃষকরা সবসময়ই মার খায়। এবারও তারা আলুতে বিশাল মার খেয়েছে। তারা দাম পায়নি। তাদের উৎপাদন খরচটাও ওঠেনি। আমরা আমাদের এসব কৃষক ভাইদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই তাদের কৃষক কার্ড দেওয়ার কাজ চলছে। এছাড়াও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য যাতে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারেন সেজন্য কৃষিভিত্তিক এলাকাগুলোতে আমরা কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কৃষি জোন ও কৃষি হিমাগার তৈরি করব। কৃষক বাঁচলে তবেই আমরা বাঁচব।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে দেশ। অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
পরে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৩ হাজার টাকা করে এবং ৮০ পরিবারকে ৬ হাজার ২৫০ টাকা করে প্রদান করেন।
এছাড়া, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৭০ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৬০ পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়। ৮৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৯০ লাখ টাকার বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়। এ সময় মোট প্রায় ২০ কোটি টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। এর মধ্যে আরও রয়েছে ১৯৫টি মসজিদ, ৮৯টি মন্দির, ৫টি কবরস্থান, ৪টি ঈদগাহ এবং ১টি শ্মশান সহ মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদা দাদ, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খাইরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ অন্যান্য নেতারা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকালে ঠাকুরগাঁওয়ের মির্জা রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঘূর্ণিঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ২০ কোটি টাকার অনুদান বিতরণের জন্য এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ সমগ্র বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। দেশে সরবরাহের জন্য তেলের সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। এ সমস্যাটা তৈরি করা হয়েছে। কিছু মানুষ এখানে অনৈতিক ব্যবসা শুরু করেছে। যে ব্যবসাটা দেশের জন্য জাতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছু মানুষ তেল নিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করছে, এটা করতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমাদের কৃষকরা সবসময়ই মার খায়। এবারও তারা আলুতে বিশাল মার খেয়েছে। তারা দাম পায়নি। তাদের উৎপাদন খরচটাও ওঠেনি। আমরা আমাদের এসব কৃষক ভাইদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছি। ইতোমধ্যেই তাদের কৃষক কার্ড দেওয়ার কাজ চলছে। এছাড়াও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য যাতে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে পারেন সেজন্য কৃষিভিত্তিক এলাকাগুলোতে আমরা কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য কৃষি জোন ও কৃষি হিমাগার তৈরি করব। কৃষক বাঁচলে তবেই আমরা বাঁচব।
এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন করে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখছে দেশ। অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।
পরে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৩ হাজার টাকা করে এবং ৮০ পরিবারকে ৬ হাজার ২৫০ টাকা করে প্রদান করেন।
এছাড়া, জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৭০ পরিবারকে ১ বান্ডিল টিন ও ৬০ পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়। ৮৮টি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ৯০ লাখ টাকার বরাদ্দপত্র বিতরণ করা হয়। এ সময় মোট প্রায় ২০ কোটি টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। এর মধ্যে আরও রয়েছে ১৯৫টি মসজিদ, ৮৯টি মন্দির, ৫টি কবরস্থান, ৪টি ঈদগাহ এবং ১টি শ্মশান সহ মোট ২৯৪টি প্রতিষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ খোদা দাদ, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. খাইরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সদর থানা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদ, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ অন্যান্য নেতারা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
