রাজধানীর শাহবাগে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে শাহবাগ থানার ভেতরে ঢুকে ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মুসাদ্দিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আরেক নেতা এ বি জুবায়েরও থানার ভেতরে আটকা পড়েন।
এদিকে, ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি ও জাইমা রহমানকে কটূক্তির প্রতিবাদে বিকেল থেকেই শাহবাগ এলাকায় অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের নেতৃত্বে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এলে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে হামলার মুখে পড়ে মুসাদ্দিক ও জুবায়ের শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেন। এ সময় থানার ভেতরে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং মাস্টারদা সূর্যসেন হলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভি।
ঘটনার পর থানার বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা, ফলে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) আরেক নেতা এ বি জুবায়েরও থানার ভেতরে আটকা পড়েন।
এদিকে, ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি ও জাইমা রহমানকে কটূক্তির প্রতিবাদে বিকেল থেকেই শাহবাগ এলাকায় অবস্থান নেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের নেতৃত্বে ছাত্রশিবিরের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এলে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।
সংঘর্ষের একপর্যায়ে হামলার মুখে পড়ে মুসাদ্দিক ও জুবায়ের শাহবাগ থানার ভেতরে আশ্রয় নেন। এ সময় থানার ভেতরে আরও উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর শিবির প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং মাস্টারদা সূর্যসেন হলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভি।
ঘটনার পর থানার বাইরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা, ফলে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
