ATN
শিরোনাম
  •  

‘জুলাই থেকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস দেবে সরকার’

         
‘জুলাই থেকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস দেবে সরকার’

‘জুলাই থেকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস দেবে সরকার’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, দেশীয় পণ্য আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পর্যায়ক্রমে পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

মাহদী আমিন বলেন, পাইলট প্রকল্প হিসেবে আগামী জুলাই থেকে সারাদেশের প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ওয়ান শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম মাসে আমরা প্রায় ১ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এই পাটজাত ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব।

আজ বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

তিনি বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বস্ত্র এবং পাট মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শুরু থেকে প্রাথমিকভাবে দুটি করে উপজেলা প্রতি মাসে এবং প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু হবে আমরা সব ছাত্রছাত্রীর কাছে পাটের তৈরি ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব।

মাহদী আমিন আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য যে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগান আমরা সারা বিশ্বজুড়ে পৌঁছে দিতে চাই। তার অংশ হিসেবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যার মূল উদ্দেশ্য হবে সারাদেশে আমরা যে সবসময় বলি, সমতা নিশ্চিত করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে ফেয়ারনেস থাকবে, যেখানে ন্যায্যতা থাকবে। আমরা নিশ্চিত করতে পারব যে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে যে পার্থক্য সেটি যেন কমে আসে। সমাজের কিছু সমতা নিশ্চিত হয়। সমাজে ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়। আমরা সেটি শুরু করতে যাচ্ছি একদম আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ক্লাস ওয়ান থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একদম তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত প্রান্তিক এলাকায় আমরা ধাপে ধাপে এই একই ধরনের পোশাক, একই ধরনের ব্যাগ এবং দেশে উৎপাদিত পণ্য পৌঁছে দেব। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে দীর্ঘদিনের একটা ভিশন ছিল বাংলাদেশে আমাদের নিজেদের উৎপাদিত যে কোনো পণ্য, সারা বাংলাদেশে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে এই যে পাটের ব্যাগটা আমরা দিচ্ছি এটাও একটা বিষয় এই যে, পরিবেশের সঙ্গে যাতে এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের একটা লার্নিং শুরু হয়। এখান থেকে এই পাটজাত পণ্য দ্রব্যগুলো ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ