ATN
শিরোনাম
  •  

পাবনায় ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক

         
পাবনায় ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক

পাবনায় ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক

পাবনার প্রাণ ইছামতি নদী পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। নির্বাচনের আগমুহূর্তে জনগুরুত্বপূর্ণ নকশা পরিবর্তনকে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘জনস্বার্থবিরোধী’ বলছেন বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশকর্মীরা। লিখিত আপত্তি জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্যও।

পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে ঐতিহ্যবাহী ইছামতি। এক সময়ের প্রমত্তা এই নদীর উপর ছিল শহরের সবচেয়ে বড় লোহার তৈরি ‘পুরাতন ব্রিজ’। তিন দশক আগে সেই সেতু ভেঙে নির্মাণ করা হয় একটি সরু ও অপ্রশস্ত কালভার্ট। এতে, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ যেমন রুদ্ধ হয়, তেমনি পলি জমে বিপন্ন হতে থাকে ইছামতি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ দলের সমীক্ষার ভিত্তিতে ২০২৩ সালে নদী পুনরুদ্ধারে নেওয়া হয় একটি বড় প্রকল্প। বলা হয়, পানিপ্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী এই কালভার্ট ভেঙে আধুনিক ও সুউচ্চ সেতু নির্মাণ করা হবে। কিন্তু গত জাতীয় নির্বাচনের মাত্র সাত দিন আগে তড়িঘড়ি করে পাস করা সংশোধিত আরডিপিপি। বাদ দেওয়া হয় সে পরিকল্পনা। শুধু পুরাতন ব্রিজই নয়, রূপকথা সড়ক, পৈলানপুর ও নতুন ব্রিজসহ প্রবাহে বাধা সৃষ্টিকারী ১৩টি সেতু পুনঃনির্মাণও বাদ পড়েছে নতুন নকশায়।

ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. নাজমুল ইসলাম বলেন প্রকল্পের মূল পরিকল্পনার বড় একটি অংশ ছিল শহরের যানজট কমাতে নৌপথ তৈরি। সংশোধনীতে সেটিও বাদ পড়ায় হতাশ শহরবাসী। এসব পরিবর্তনকে ‘জনস্বার্থবিরোধী’ উল্লেখ করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন সদর আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

পাবনা জেলার আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন প্রভাবশালী দখলদারদের মামলার মারপ্যাঁচে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ হওয়া নিয়েও দেখা দিয়েছে সংশয়।

পাবনার পানি উন্নয়ন বোর্ড এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার বলেন সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত ১ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকার এই মেগাপ্রকল্পের কাজ ২০২৭ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা।

রিপোর্ট : রি.জ./ সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ