ATN
শিরোনাম
  •  

ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ অবরোধ তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

         
ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ অবরোধ তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ অবরোধ তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শেষ হতে বাকি আর মাত্র একদিন। এমন পরিস্থিতিতে একটি চুক্তিতে সম্মত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর ইরান বলেছে, হুমকির মুখে কোনো ধরনের সমঝোতা করবে না তারা। দু’পক্ষের অনড় অবস্থানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা নিয়ে তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দুই সপ্তাহের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি এখন শেষ পর্যায়ে। সংকট নিরসনে ইসলামাবাদে বৈঠকে বসার কথা থাকলেও বাড়ছে উত্তাপ। মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। এছাড়াও প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জারেড কুশনার।

ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের দাবি জানানো হলেও তা নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাম্প। বলছেন, চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ সরবে না।

সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান সমঝোতায় না এলে তাদের এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি।

প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ মঙ্গলবার বলেছেন, তেহরান হুমকির মুখে আলোচনা করবে না। আলোচনা ব্যর্থ হলে যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন চমক দেখাতে প্রস্তুত হয়ে আছেন তারা। ট্রাম্পের সমালোচনা করে গালিবাফ বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আলোচনার টেবিলকে আত্মসমর্পণের টেবিল বানাতে চাইছেন।

ইরান যুদ্ধ থামাতে দ্বিতীয় দফার এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ট্রাম্প দুই সপ্তাহের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়িয়ে ওয়াশিংটন সময় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত নির্ধারণ করেছেন। ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এ মেয়াদ আর বাড়ানোর সম্ভাবনা খুব কম এবং এর পরই আবার বোমাবর্ষণ শুরু হতে পারে।

সম্ভাব্য শান্তি আলোচনাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মঙ্গলবারও শহরের আকাশে হেলিকপ্টারকে টহল দিতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, আরব সাগরে ইরানের একটি পণ্যবাহী জাহাজ মার্কিন নৌবাহিনী জব্দ করায় উত্তেজনা তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে শুরু হয়েছে অস্থিরতা । জাতিসংঘ অবিলম্বে দুই পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানালেও যুদ্ধের দামামা যেন আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বিশ্ব সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ