সারা দেশে আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এ বছর সারা দেশে ১১টি শিক্ষাবোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের রুটিন অনুযায়ী, সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে লিখিত পরীক্ষা, যা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ৭ থেকে ১৪ জুনের মধ্যে।
শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল প্রায় ১৯ লাখ ৩৬ হাজার শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
দুই বছর আগে নবম শ্রেণিতে নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করা প্রায় চার লাখ ৪৭ হাজার শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় বসছে না।
এবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে মোট ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ পরীক্ষার্থী। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১২ হাজার ৪৭৬ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি শিক্ষার্থী বোর্ডের শিক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬১ জন। পরীক্ষার মোট কেন্দ্র ৩ হাজার ৯০২টি।
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশী শিক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে, সবচেয়ে কম বরিশালে।
গত ২৯ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করে।
নির্দেশনায় বলা হয়, সব পরীক্ষাকেন্দ্রের নির্ধারিত স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে অথবা আগে থেকে থাকা ক্যামেরাগুলো সচল রাখতে হবে।
সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিটি কক্ষে সিগন্যাল জ্যামারের কভারেজ নিশ্চিত করতে হবে, যেন মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল না থাকে।
পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষকদের কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রে প্রবেশের আগে পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে কেন্দ্রসচিবদের জন্য বেশকিছু জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। বিশেষ বিবেচনায় কোনো পরীক্ষার্থী দেরি করলে তার তথ্য রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেন্দ্রে নিতে পারবেন না। কেন্দ্রসচিব কেবল ছবি তোলা যায় না এমন সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
পাঁচ থেকে ছয় ফুট লম্বা প্রতি বেঞ্চে দুই জন এবং চার ফুট লম্বা বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থীর বসার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে পরিদর্শক নিয়োজিত থাকবেন।
কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার্থী বা অভিভাবকদের জটলা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়। প্রয়োজনে হ্যান্ড মাইক ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার শুরুতেই টয়লেটগুলো তল্লাশি করে কোনো নকলের সামগ্রী থাকলে তা অপসারণ করতে হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের রুটিন অনুযায়ী, সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হবে লিখিত পরীক্ষা, যা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ৭ থেকে ১৪ জুনের মধ্যে।
শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল প্রায় ১৯ লাখ ৩৬ হাজার শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে।
দুই বছর আগে নবম শ্রেণিতে নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করা প্রায় চার লাখ ৪৭ হাজার শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় বসছে না।
এবছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেবে মোট ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৪২৩ পরীক্ষার্থী। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১২ হাজার ৪৭৬ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন ও কারিগরি শিক্ষার্থী বোর্ডের শিক্ষার্থী ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬১ জন। পরীক্ষার মোট কেন্দ্র ৩ হাজার ৯০২টি।
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশী শিক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে, সবচেয়ে কম বরিশালে।
গত ২৯ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করে।
নির্দেশনায় বলা হয়, সব পরীক্ষাকেন্দ্রের নির্ধারিত স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে অথবা আগে থেকে থাকা ক্যামেরাগুলো সচল রাখতে হবে।
সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিটি কক্ষে সিগন্যাল জ্যামারের কভারেজ নিশ্চিত করতে হবে, যেন মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্ক সিগন্যাল না থাকে।
পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষকদের কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রে প্রবেশের আগে পরীক্ষার্থীদের দেহ তল্লাশি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে কেন্দ্রসচিবদের জন্য বেশকিছু জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। বিশেষ বিবেচনায় কোনো পরীক্ষার্থী দেরি করলে তার তথ্য রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করে কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।
কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস কেন্দ্রে নিতে পারবেন না। কেন্দ্রসচিব কেবল ছবি তোলা যায় না এমন সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।
পাঁচ থেকে ছয় ফুট লম্বা প্রতি বেঞ্চে দুই জন এবং চার ফুট লম্বা বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থীর বসার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে পরিদর্শক নিয়োজিত থাকবেন।
কেন্দ্রের বাইরে পরীক্ষার্থী বা অভিভাবকদের জটলা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে নির্দেশনায়। প্রয়োজনে হ্যান্ড মাইক ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে। পরীক্ষার শুরুতেই টয়লেটগুলো তল্লাশি করে কোনো নকলের সামগ্রী থাকলে তা অপসারণ করতে হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
