জুলাই সনদ ও সংস্কার ইস্যুতে সনদের প্রত্যেকটি শব্দ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব: প্রধানমন্ত্রী
জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যে জুলাই সনদে সই করে এসেছে, সেই সনদের প্রত্যেকটি শব্দ এবং প্রতিটি অক্ষর ইনশাআল্লাহ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব।”
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত জেলা বিএনপির জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, কিছু রাজনৈতিক মহল জুলাই সনদ ও সংস্কার ইস্যুতে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “আজকে আমরা চারদিকে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। খেয়াল করে দেখবেন, যারা এই সংস্কারের কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, তারা কিন্তু নারীর স্বাধীনতা কিংবা নারীর উন্নয়ন নিয়ে কোনো কথা বলে না।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে ১১টি কমিশন গঠন করেছিল—যার মধ্যে সংবিধান, বিচার, প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও নারী বিষয়ক কমিশন রয়েছে—সেগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। যারা স্বাধীনতা ও দেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, তারা জনগণের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কীভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করা যায়, সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের ব্যাপারে দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলা বগুড়ায় এটিই তার প্রথম সফর। সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে তিনি বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান, যেখানে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান তাকে স্বাগত জানান। সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
দুপুর থেকেই বগুড়া ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে হাজারো নেতাকর্মী আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জড়ো হতে থাকেন। বেলা ৩টার মধ্যে পুরো মাঠ প্রাঙ্গণ জনসমুদ্রে রূপ নেয় এবং আশপাশের সড়কগুলোতেও নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জনসভাটি এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। বগুড়া সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বারোপ করেন এবং জেলাটিকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত জেলা বিএনপির জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জনসভায় প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, কিছু রাজনৈতিক মহল জুলাই সনদ ও সংস্কার ইস্যুতে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “আজকে আমরা চারদিকে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। খেয়াল করে দেখবেন, যারা এই সংস্কারের কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাচ্ছে, তারা কিন্তু নারীর স্বাধীনতা কিংবা নারীর উন্নয়ন নিয়ে কোনো কথা বলে না।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে ১১টি কমিশন গঠন করেছিল—যার মধ্যে সংবিধান, বিচার, প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও নারী বিষয়ক কমিশন রয়েছে—সেগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। যারা স্বাধীনতা ও দেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না, তারা জনগণের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কীভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করা যায়, সেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের ব্যাপারে দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।”
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নিজ জেলা বগুড়ায় এটিই তার প্রথম সফর। সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে তিনি বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান, যেখানে জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান তাকে স্বাগত জানান। সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
দুপুর থেকেই বগুড়া ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে হাজারো নেতাকর্মী আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জড়ো হতে থাকেন। বেলা ৩টার মধ্যে পুরো মাঠ প্রাঙ্গণ জনসমুদ্রে রূপ নেয় এবং আশপাশের সড়কগুলোতেও নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জনসভাটি এক উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। বগুড়া সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বারোপ করেন এবং জেলাটিকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
