সবাই মিলে কাজ করলে দেশের পানির সমস্যা সমাধান করা সম্ভব : তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছি। সবাই মিলে কাজ করলে ইনশাআল্লাহ দেশের পানির সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। খাল খনন করতে পারলে বন্যার সময় মানুষ, সম্পদ, গবাদিপশু ও ফসল রক্ষা করা যাবে।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে বগুড়ার বাগবাড়ী নশিপুরে অবস্থিত চৌকিরদহ খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা এখানে চৌকিদহ খালটা কাটলাম। এখানে যদি কোনো মুরুব্বি থাকেন- যাদের বয়স ৬০-৭০ এর বেশি, তাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, এই খালটা আমার আব্বা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে কেটেছিলেন। এই খালটা আমরা কাটলাম, প্রায় এক কিলোমিটার মতো লম্বা। এই খালটা কাটার ফলে বর্ষার সময় অতিবৃষ্টিতে আশেপাশে যে পানি উঠে, তা এখানে জমা হবে। আবার শুকনা মৌসুমে যখন পানি পাওয়া যায় না, তখন এই খালে পানি থাকলে কৃষকরা তাদের জমিতে চাষাবাদের জন্য পানি পাবে। অর্থাৎ এলাকার মানুষের উপকার হবে।
স্থানীয়দের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চলুন আমরা এই খালটা পুনঃখনন করি, পানি ফিরিয়ে আনি। খালের দুই পাশে গাছ লাগাই। খালের মধ্যে মাছ চাষের ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটাও দেখা হবে- যাতে এলাকার বেকার তরুণরা কাজ পায়। মা-বোনেরাও পাশে শাকসবজি চাষ করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাল ও নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে মানুষ যেমন পানির কষ্ট পাচ্ছে, তেমনি বর্ষায় অতিরিক্ত পানি ধরে রাখা যাচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনের সময় পানি পাওয়া যায় না। তাই খাল খনন জরুরি।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের এলাকার সন্তান। এই খাল কাটাসহ যেসব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তা যেন সফল হয়-সেজন্য দোয়া করবেন। এটা তো নিজের বাড়ি, ঘরের লোকজন। কয়েকদিন পর আবার আসবো ইনশাআল্লাহ।
খাল খনন কর্মসূচি শেষে বিকেল ৪টার দিকে তিনি নিজ পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখানে সংক্ষিপ্ত সময় অবস্থান শেষে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিকেল ৫টার দিকে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে বগুড়ার বাগবাড়ী নশিপুরে অবস্থিত চৌকিরদহ খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা এখানে চৌকিদহ খালটা কাটলাম। এখানে যদি কোনো মুরুব্বি থাকেন- যাদের বয়স ৬০-৭০ এর বেশি, তাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, এই খালটা আমার আব্বা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে কেটেছিলেন। এই খালটা আমরা কাটলাম, প্রায় এক কিলোমিটার মতো লম্বা। এই খালটা কাটার ফলে বর্ষার সময় অতিবৃষ্টিতে আশেপাশে যে পানি উঠে, তা এখানে জমা হবে। আবার শুকনা মৌসুমে যখন পানি পাওয়া যায় না, তখন এই খালে পানি থাকলে কৃষকরা তাদের জমিতে চাষাবাদের জন্য পানি পাবে। অর্থাৎ এলাকার মানুষের উপকার হবে।
স্থানীয়দের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চলুন আমরা এই খালটা পুনঃখনন করি, পানি ফিরিয়ে আনি। খালের দুই পাশে গাছ লাগাই। খালের মধ্যে মাছ চাষের ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটাও দেখা হবে- যাতে এলাকার বেকার তরুণরা কাজ পায়। মা-বোনেরাও পাশে শাকসবজি চাষ করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাল ও নদী ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে মানুষ যেমন পানির কষ্ট পাচ্ছে, তেমনি বর্ষায় অতিরিক্ত পানি ধরে রাখা যাচ্ছে না। ফলে প্রয়োজনের সময় পানি পাওয়া যায় না। তাই খাল খনন জরুরি।
তিনি বলেন, আমি আপনাদের এলাকার সন্তান। এই খাল কাটাসহ যেসব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তা যেন সফল হয়-সেজন্য দোয়া করবেন। এটা তো নিজের বাড়ি, ঘরের লোকজন। কয়েকদিন পর আবার আসবো ইনশাআল্লাহ।
খাল খনন কর্মসূচি শেষে বিকেল ৪টার দিকে তিনি নিজ পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখানে সংক্ষিপ্ত সময় অবস্থান শেষে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে। পরে বিকেল ৫টার দিকে বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
