সংস্কৃতিচর্চা বাড়লে উগ্রবাদ ঠেকানো সম্ভব: ববি হাজ্জাজ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, স্কুল পর্যায়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত করা গেলে দেশে উগ্রবাদের কোনো স্থান থাকবে না।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সভায় জানানো হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা কারিকুলামে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানোর বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আলোকে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনা বিকাশে সহায়ক কার্যক্রম পাঠ্যক্রমে আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংগীত, নাটক, বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কনের মতো কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করে এবং দলগত চেতনা ও সহনশীলতা গড়ে তোলে। এতে উগ্র চিন্তার প্রতি ঝোঁক কমে আসে।
এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, একটি সৃজনশীল ও সচেতন প্রজন্ম গঠনে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
রবিবার (১৯ এপ্রিল) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সভায় জানানো হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা কারিকুলামে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানোর বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আলোকে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনা বিকাশে সহায়ক কার্যক্রম পাঠ্যক্রমে আরও কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সংগীত, নাটক, বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কনের মতো কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করে এবং দলগত চেতনা ও সহনশীলতা গড়ে তোলে। এতে উগ্র চিন্তার প্রতি ঝোঁক কমে আসে।
এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, একটি সৃজনশীল ও সচেতন প্রজন্ম গঠনে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্য অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
