যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ ট্রাম্পের, তবুও শান্তি চুক্তিতে আশাবাদ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি গুরুতরভাবে লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। তবে উত্তেজনা সত্ত্বেও তেহরানের সঙ্গে দ্রুত একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। একই তথ্য নিশ্চিত করে এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমি এক্সে জানান, ট্রাম্প বিশ্বাস করেন—‘যেভাবেই হোক, একটি চুক্তি হবেই।’
ট্রাম্প তার পোস্টে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আলোচনার জন্য ইসলামাবাদ যাচ্ছে এবং সোমবার সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত’ প্রস্তাব দিয়েছে, যা ইরান গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা করছেন।
তবে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইরান প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে। ট্রাম্পের ভাষায়, প্রয়োজন হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
আলোচনা ব্যর্থ হলে ‘ভদ্র আচরণের দিন শেষ’ বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এতে করে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যদিও একই সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও খোলা রাখছেন ট্রাম্প।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
রবিবার (১৯ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। একই তথ্য নিশ্চিত করে এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমি এক্সে জানান, ট্রাম্প বিশ্বাস করেন—‘যেভাবেই হোক, একটি চুক্তি হবেই।’
ট্রাম্প তার পোস্টে আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আলোচনার জন্য ইসলামাবাদ যাচ্ছে এবং সোমবার সন্ধ্যায় সেখানে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত’ প্রস্তাব দিয়েছে, যা ইরান গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা করছেন।
তবে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইরান প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নেবে। ট্রাম্পের ভাষায়, প্রয়োজন হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
আলোচনা ব্যর্থ হলে ‘ভদ্র আচরণের দিন শেষ’ বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। এতে করে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যদিও একই সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনাও খোলা রাখছেন ট্রাম্প।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
