হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি উদ্যোগে অচলাবস্থা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তেহরানের একের পর এক অদূরদর্শী বার্তার জেরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির অগ্রগতি থমকে গেছে। পরিস্থিতির অবনতিতে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে পুনরায় পূর্ণ অবরোধ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার ঘটনাপ্রবাহের সূচনা হয়। সেদিন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে হরমুজ প্রণালি সীমিতভাবে উন্মুক্ত করার ইঙ্গিত দেন। এতে বিশ্ববাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১২ ডলার পর্যন্ত কমে যায়।
তবে পোস্টটি অস্পষ্ট ও অসম্পূর্ণ হওয়ায় ইরানের ভেতরে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কূটনৈতিক বিশ্লেষক প্যাট্রিক উইন্টুর মনে করেন, এই ভুল বার্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এদিকে, ট্রাম্প পোস্টটিকে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যাখ্যা করে দাবি করেন, ইরান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে এবং ইউরেনিয়াম মজুদ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে রাজি হয়েছে—যা তেহরান দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে।
ইরানের অভ্যন্তরে এ নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকে। সংসদ সদস্য মোর্তজা মাহমুদীসহ অনেকেই আরাগচির সমালোচনা করেন। এমনকি দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমও পোস্টটিকে বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করে।
পরবর্তীতে ইরান স্পষ্ট করে জানায়, প্রণালিটি কেবল নির্দিষ্ট শর্তে এবং আইআরজিসি অনুমোদিত জাহাজের জন্য সীমিতভাবে খোলা ছিল। একইসঙ্গে তারা জানিয়ে দেয়, উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।
নতুন এই অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে তিনি আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন। এতে হরমুজ প্রণালি এলাকায় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান জানিয়ে দিয়েছে তারা আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। দেশটি মনে করে, হরমুজ প্রণালি তাদের কৌশলগত শক্তির অন্যতম প্রধান উপাদান এবং এ বিষয়ে তারা কোনো তাড়াহুড়ো করবে না।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা চালালেও এখন পর্যন্ত তা সফল হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, পারস্পরিক অবিশ্বাস, ভুল বার্তা এবং রাজনৈতিক চাপ—সব মিলিয়ে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার ঘটনাপ্রবাহের সূচনা হয়। সেদিন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে হরমুজ প্রণালি সীমিতভাবে উন্মুক্ত করার ইঙ্গিত দেন। এতে বিশ্ববাজারে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখা যায় এবং তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১২ ডলার পর্যন্ত কমে যায়।
তবে পোস্টটি অস্পষ্ট ও অসম্পূর্ণ হওয়ায় ইরানের ভেতরে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। কূটনৈতিক বিশ্লেষক প্যাট্রিক উইন্টুর মনে করেন, এই ভুল বার্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এদিকে, ট্রাম্প পোস্টটিকে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যাখ্যা করে দাবি করেন, ইরান হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে এবং ইউরেনিয়াম মজুদ যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাতে রাজি হয়েছে—যা তেহরান দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে।
ইরানের অভ্যন্তরে এ নিয়ে রাজনৈতিক চাপ বাড়তে থাকে। সংসদ সদস্য মোর্তজা মাহমুদীসহ অনেকেই আরাগচির সমালোচনা করেন। এমনকি দেশটির প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যমও পোস্টটিকে বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করে।
পরবর্তীতে ইরান স্পষ্ট করে জানায়, প্রণালিটি কেবল নির্দিষ্ট শর্তে এবং আইআরজিসি অনুমোদিত জাহাজের জন্য সীমিতভাবে খোলা ছিল। একইসঙ্গে তারা জানিয়ে দেয়, উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি।
নতুন এই অচলাবস্থার মধ্যে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হলে তিনি আবারও সামরিক অভিযান শুরু করতে পারেন। এতে হরমুজ প্রণালি এলাকায় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান জানিয়ে দিয়েছে তারা আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে আলোচনায় বসতে আগ্রহী নয়। দেশটি মনে করে, হরমুজ প্রণালি তাদের কৌশলগত শক্তির অন্যতম প্রধান উপাদান এবং এ বিষয়ে তারা কোনো তাড়াহুড়ো করবে না।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পাকিস্তান মধ্যস্থতার চেষ্টা চালালেও এখন পর্যন্ত তা সফল হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, পারস্পরিক অবিশ্বাস, ভুল বার্তা এবং রাজনৈতিক চাপ—সব মিলিয়ে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
