প্রশ্নপত্র ফাঁসে ন্যূনতম ৫ বছরের সাজা, আইন সংশোধনের উদ্যোগ শিক্ষামন্ত্রীর
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ন্যূনতম পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে ১৯৮০ সালের আইন সংশোধন করে তা সংসদে তোলা হবে।
তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রণীত আইনটি আমরা নতুনভাবে মডিফাই করছি, কারণ প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না।’
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আটটি জেলা এবং রংপুর অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আর এখানে যাঁরা সাইবার ক্রাইম করবেন, আমি সকলের টেলিফোন নম্বর নিচ্ছি এবং সিঙ্গাপুরে আমার নিজস্ব সাইবার ক্রাইম স্পেশালিস্ট আছে, তাঁকে ঢাকায় আসতে হবে না; সিঙ্গাপুরেই আমি পাঠাচ্ছি। সাইবার ক্রাইম কে করে, আমি দেখব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দেখতে চাই, আমরা সকলে যদি ঠিক থাকি, প্রশ্নপত্র কে বের করবে। আর আমরা সকলে যদি বেঠিক হয়ে যাই, তাহলে ইন্সট্রুমেন্ট (যন্ত্র) কিন্তু কথা বলবে। আমি ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করছি।’
আইনের ব্যাপারে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘সংঘবদ্ধভাবে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে, তাদেরও এর (সংশোধিত আইন) আওতায় এনেছি। আমরা যখন শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনব, তখন সরকার বলবে এই শিক্ষকদের সুবিধা বাড়িয়ে দাও। তখন দেখবেন মেধাবী ছাত্ররা সব শিক্ষকতায় আসছে।’
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ পিনাক প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মওদুদ বাবুসহ দিনাজপুর বোর্ডের অধীন আটটি জেলার এবং রংপুর অঞ্চলের মাদ্রাসা শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রসচিবগণ, বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জেলা বিএনপির নেতারা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রণীত আইনটি আমরা নতুনভাবে মডিফাই করছি, কারণ প্রশ্নপত্র ফাঁস কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না।’
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন আটটি জেলা এবং রংপুর অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আর এখানে যাঁরা সাইবার ক্রাইম করবেন, আমি সকলের টেলিফোন নম্বর নিচ্ছি এবং সিঙ্গাপুরে আমার নিজস্ব সাইবার ক্রাইম স্পেশালিস্ট আছে, তাঁকে ঢাকায় আসতে হবে না; সিঙ্গাপুরেই আমি পাঠাচ্ছি। সাইবার ক্রাইম কে করে, আমি দেখব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি দেখতে চাই, আমরা সকলে যদি ঠিক থাকি, প্রশ্নপত্র কে বের করবে। আর আমরা সকলে যদি বেঠিক হয়ে যাই, তাহলে ইন্সট্রুমেন্ট (যন্ত্র) কিন্তু কথা বলবে। আমি ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করছি।’
আইনের ব্যাপারে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘সংঘবদ্ধভাবে যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করে, তাদেরও এর (সংশোধিত আইন) আওতায় এনেছি। আমরা যখন শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনব, তখন সরকার বলবে এই শিক্ষকদের সুবিধা বাড়িয়ে দাও। তখন দেখবেন মেধাবী ছাত্ররা সব শিক্ষকতায় আসছে।’
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ পিনাক প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মওদুদ বাবুসহ দিনাজপুর বোর্ডের অধীন আটটি জেলার এবং রংপুর অঞ্চলের মাদ্রাসা শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রসচিবগণ, বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ জেলা বিএনপির নেতারা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
