মানিকগঞ্জ-এর সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নে এক শিশুর হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গণপিটুনিতে দুই ভাই নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে বনপারিল (কান্দুরপার ব্রিজ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৫টার দিকে বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং এলাকায় মাইকিং করে খোঁজাখুঁজি চালানো হয়।
পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কানে থাকা স্বর্ণের দুল ও গলার চেইন লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা সন্দেহভাজন হিসেবে একই এলাকার পিতা-পুত্রসহ তিনজনকে আটক করে মারধর করে। এতে অটোচালক পান্নু মিয়া (৩৮) ও তার ভাই ফজলু (২৮) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুল (২০)-কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গণপিটুনির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পুরো ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৫টার দিকে বনপারিল গ্রামের দুদুল মিয়ার মেয়ে আতিকা নিখোঁজ হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে দেওয়া হয় এবং এলাকায় মাইকিং করে খোঁজাখুঁজি চালানো হয়।
পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কানে থাকা স্বর্ণের দুল ও গলার চেইন লুটের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা সন্দেহভাজন হিসেবে একই এলাকার পিতা-পুত্রসহ তিনজনকে আটক করে মারধর করে। এতে অটোচালক পান্নু মিয়া (৩৮) ও তার ভাই ফজলু (২৮) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় পান্নু মিয়ার ছেলে নাজমুল (২০)-কে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গণপিটুনির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পুরো ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
