মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। আসন্ন কাউন্সিলের পর তিনি দায়িত্ব ছাড়তে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর মহাসচিব পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলতি বছরেই দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে পারে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ের সম্মেলন সম্পন্ন করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
দলটির সর্বশেষ কাউন্সিল প্রায় এক দশক আগে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। সাম্প্রতিক নির্বাচন শেষে বিষয়টি আবারও গুরুত্ব পেয়েছে এবং স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমি খুবই ক্লান্ত। আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত থাকতে হচ্ছে। কাউন্সিলের পর অবসর নিতে চাই। আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে, অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।”
উল্লেখ্য, তিনি ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ সাল থেকে পাঁচ বছর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।
ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অর্থনীতি বিভাগে অধ্যয়নকালে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে শিক্ষকতা ও সরকারি দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৮৬ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন কাউন্সিলে নেতৃত্বে পরিবর্তন এলে তা দলের ভবিষ্যৎ কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চলতি বছরেই দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে পারে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ের সম্মেলন সম্পন্ন করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
দলটির সর্বশেষ কাউন্সিল প্রায় এক দশক আগে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। সাম্প্রতিক নির্বাচন শেষে বিষয়টি আবারও গুরুত্ব পেয়েছে এবং স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমি খুবই ক্লান্ত। আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত থাকতে হচ্ছে। কাউন্সিলের পর অবসর নিতে চাই। আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে, অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।”
উল্লেখ্য, তিনি ২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১১ সাল থেকে পাঁচ বছর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।
ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অর্থনীতি বিভাগে অধ্যয়নকালে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে শিক্ষকতা ও সরকারি দায়িত্ব পালন শেষে ১৯৮৬ সালে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আসন্ন কাউন্সিলে নেতৃত্বে পরিবর্তন এলে তা দলের ভবিষ্যৎ কৌশলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
