তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-এর মধ্যে চলমান আলোচনায় ‘বড় ধরনের অগ্রগতি’ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আল জাজিরা-কে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনির-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরানে গিয়ে ইরানি নেতৃত্বের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা পৌঁছে দেয়।
তেহরানে পৌঁছানোর পর প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি সংলাপ আয়োজনের জন্য পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং আলোচনার অগ্রগতিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পারমাণবিক আলোচনায় মূলত ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার সময়সীমা এবং ৪৪০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। আলোচনায় ৫ থেকে ২০ বছরের সময়সীমার মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।
এছাড়া, এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে, তা নিয়েও বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে— তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো, প্রাকৃতিক অবস্থায় নামিয়ে আনা অথবা নিম্নমাত্রায় (প্রায় ৩ শতাংশ) সমৃদ্ধ করা।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে এবং একটি সম্ভাব্য সমঝোতার পথ তৈরি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর সঙ্গে সংঘাতে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। দেশটির সেনাপ্রধান আসিম মুনির-এর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরানে গিয়ে ইরানি নেতৃত্বের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা পৌঁছে দেয়।
তেহরানে পৌঁছানোর পর প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি সংলাপ আয়োজনের জন্য পাকিস্তানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং আলোচনার অগ্রগতিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পারমাণবিক আলোচনায় মূলত ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার সময়সীমা এবং ৪৪০ কেজি উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে। আলোচনায় ৫ থেকে ২০ বছরের সময়সীমার মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে।
এছাড়া, এই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে, তা নিয়েও বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে— তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো, প্রাকৃতিক অবস্থায় নামিয়ে আনা অথবা নিম্নমাত্রায় (প্রায় ৩ শতাংশ) সমৃদ্ধ করা।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে এবং একটি সম্ভাব্য সমঝোতার পথ তৈরি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-এর সঙ্গে সংঘাতে ইরানে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
