আব্বাস আরাঘচি-এর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। ফাইল ছবি
আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালি-তে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন। দেশটির তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে বেইজিং এই আহ্বান জানায়।
বৃহস্পতিবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-এর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই আহ্বান জানান।
ফোনালাপে ওয়াং ই বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তেমনি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তাও বজায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং বিশ্ব এখন সংঘাত ও শান্তির মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে হরমুজ প্রণালিকে উন্মুক্ত রাখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং পুনরায় আলোচনায় ফেরার বিষয়েও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে চীন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। তবে ওয়াং ইর আহ্বানের জবাবে ইরানের পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান অনেক দেশের কাছে তেল রপ্তানি করতে পারে না। বর্তমানে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন, যা দেশটির মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ ক্রয় করে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বৃহস্পতিবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-এর সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এই আহ্বান জানান।
ফোনালাপে ওয়াং ই বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা যেমন নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তেমনি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তাও বজায় রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং বিশ্ব এখন সংঘাত ও শান্তির মধ্যবর্তী অবস্থানে রয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে হরমুজ প্রণালিকে উন্মুক্ত রাখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং পুনরায় আলোচনায় ফেরার বিষয়েও পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে চীন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। তবে ওয়াং ইর আহ্বানের জবাবে ইরানের পক্ষ থেকে কী বলা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান অনেক দেশের কাছে তেল রপ্তানি করতে পারে না। বর্তমানে ইরানি তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা চীন, যা দেশটির মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশ ক্রয় করে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
