টাইমের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রখ্যাত সাময়িকী টাইম ২০২৬ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত এ তালিকায় ‘লিডারস’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্থান পেয়েছেন, যেখানে তিনি রয়েছেন ১৬তম অবস্থানে।
এ বছরের তালিকার শীর্ষে আছেন রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। লিডারস বিভাগে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর অ্যাট-লার্জ ক্যাম্পবেল তারেক রহমানকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বলেন, কয়েক মাস আগেও তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের শান্ত পরিবেশে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তিনি বিরোধী রাজনীতিক থেকে জাতীয় নেতৃত্বে উঠে আসেন। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকার পর গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় অর্জনের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক উত্থান পূর্ণতা পায়।
টাইমের প্রোফাইলে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে জয়ী হয়ে তারেক রহমান তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পথ অনুসরণ করেছেন। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মায়ের মৃত্যু ঘটে, যা তার জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
গত জানুয়ারিতে টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার এবং অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের বেকারত্ব এবং ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্কের মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
টাইমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তারেক রহমানের জন্য ‘হানিমুন পিরিয়ড’ হয়তো দীর্ঘ হবে না। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসনের পর তিনি সময় নষ্ট না করে দ্রুত কাজ শুরু করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে জনগণ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
এ বছরের তালিকার শীর্ষে আছেন রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ লিও চতুর্দশ। লিডারস বিভাগে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর অ্যাট-লার্জ ক্যাম্পবেল তারেক রহমানকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে বলেন, কয়েক মাস আগেও তিনি দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের শান্ত পরিবেশে নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন। তবে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তিনি বিরোধী রাজনীতিক থেকে জাতীয় নেতৃত্বে উঠে আসেন। দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থাকার পর গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় অর্জনের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক উত্থান পূর্ণতা পায়।
টাইমের প্রোফাইলে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনে জয়ী হয়ে তারেক রহমান তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পথ অনুসরণ করেছেন। দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মায়ের মৃত্যু ঘটে, যা তার জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
গত জানুয়ারিতে টাইমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেন, ব্যক্তিগত শোককে শক্তিতে পরিণত করে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করার এবং অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণদের বেকারত্ব এবং ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েনপূর্ণ সম্পর্কের মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
টাইমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তারেক রহমানের জন্য ‘হানিমুন পিরিয়ড’ হয়তো দীর্ঘ হবে না। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক নির্বাসনের পর তিনি সময় নষ্ট না করে দ্রুত কাজ শুরু করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে জনগণ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
