ইংরেজি শিখতে ৩০০ সচিবকে থাইল্যান্ড পাঠানোর খবরকে ‘গুরুতর অসত্য’ ও ‘বিভ্রান্তিমূলক’ বলে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম)।
বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
বিয়াম জানায়, এটি সচিবদের জন্য কোনো আলাদা প্রশিক্ষণ নয় কিংবা শুধুমাত্র ইংরেজি শেখার কোর্সও নয়। বরং সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
‘Strengthening Institutional Capacity of BIAM for Conducting Core Courses’ প্রকল্পের আওতায় গভর্ন্যান্স, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, নেগোসিয়েশন স্কিল এবং ইংরেজি দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন কোর্স দেশে ও বিদেশে পরিচালিত হচ্ছে। এর কিছু অংশ ইতোমধ্যে দেশেই সম্পন্ন হয়েছে এবং কয়েকটি ব্যাচের বিদেশি প্রশিক্ষণ ইতালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিয়াম আরও জানায়, সংবাদে উল্লেখিত পাতায়া কোনো নির্ধারিত গন্তব্য নয়। সম্ভাব্য প্রশিক্ষণ ভেন্যু হিসেবে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া বা এশিয়ার অন্য কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান বিবেচনায় রয়েছে।
এছাড়া, এই প্রস্তাব এখনো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এ অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়নি এবং এটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগ করে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে প্রশিক্ষণকে পর্যটনকেন্দ্রিক হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।
বিয়াম বলছে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং একটি ইতিবাচক উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এবং তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
বিয়াম জানায়, এটি সচিবদের জন্য কোনো আলাদা প্রশিক্ষণ নয় কিংবা শুধুমাত্র ইংরেজি শেখার কোর্সও নয়। বরং সরকারের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের সক্ষমতা ও কূটনৈতিক দক্ষতা বৃদ্ধির একটি সমন্বিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
‘Strengthening Institutional Capacity of BIAM for Conducting Core Courses’ প্রকল্পের আওতায় গভর্ন্যান্স, আর্থিক ব্যবস্থাপনা, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট, নেগোসিয়েশন স্কিল এবং ইংরেজি দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন কোর্স দেশে ও বিদেশে পরিচালিত হচ্ছে। এর কিছু অংশ ইতোমধ্যে দেশেই সম্পন্ন হয়েছে এবং কয়েকটি ব্যাচের বিদেশি প্রশিক্ষণ ইতালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিয়াম আরও জানায়, সংবাদে উল্লেখিত পাতায়া কোনো নির্ধারিত গন্তব্য নয়। সম্ভাব্য প্রশিক্ষণ ভেন্যু হিসেবে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া বা এশিয়ার অন্য কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান বিবেচনায় রয়েছে।
এছাড়া, এই প্রস্তাব এখনো জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এ অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়নি এবং এটি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগ করে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে প্রশিক্ষণকে পর্যটনকেন্দ্রিক হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত।
বিয়াম বলছে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে এবং একটি ইতিবাচক উদ্যোগকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
