তীব্র তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গা-র জনজীবন। হঠাৎ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে জেলায় মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৪ শতাংশ, যা গরমের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগের দিন একই সময়ে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও মোটরসাইকেল চালকরা। জেলার বিভিন্ন তেল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে শহরের বিভিন্ন স্থানে সড়কের পিচ গলে উঠতে দেখা গেছে। পৌরসভার সামনের সড়কেও এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক রবিউল ইসলাম বলেন, তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আরেক চালক সুমন হোসেন জানান, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই।
দিনমজুররাও পড়েছেন চরম বিপাকে। আব্দুল মালেক বলেন, প্রচণ্ড রোদে কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, তবুও জীবিকার তাগিদে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। হাবিবুর রহমান জানান, কাজের ফাঁকে বারবার বিশ্রাম নিতে হলেও এতে আয় কমে যাচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। বর্তমানে জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৪ শতাংশ, যা গরমের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর আগের দিন একই সময়ে তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও মোটরসাইকেল চালকরা। জেলার বিভিন্ন তেল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে তাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে শহরের বিভিন্ন স্থানে সড়কের পিচ গলে উঠতে দেখা গেছে। পৌরসভার সামনের সড়কেও এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয় মোটরসাইকেল চালক রবিউল ইসলাম বলেন, তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। আরেক চালক সুমন হোসেন জানান, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই।
দিনমজুররাও পড়েছেন চরম বিপাকে। আব্দুল মালেক বলেন, প্রচণ্ড রোদে কাজ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে, তবুও জীবিকার তাগিদে কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। হাবিবুর রহমান জানান, কাজের ফাঁকে বারবার বিশ্রাম নিতে হলেও এতে আয় কমে যাচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে প্রথমবারের মতো তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। বর্তমানে জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
