৫৩ বছরের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
৫৩ বছরের বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনের চার নভোচারী কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে এ ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করেন।
সর্বশেষ ১৯৭২ সালে নাসার অ্যাপোলো-১৭ মিশনের পর এই প্রথম কোনো মানুষ চাঁদের পথে রওনা হলেন। একে চাঁদে আর মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করলেন চার নভোচারী। নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাপসুলটি প্রায় ১৫ ফুট চওড়া ও ৯ ফুট উঁচু। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ ক্যাপসুল কক্ষপথে পৌঁছাবে।
এই চার নভোচারী মোট ১০ দিনের মিশনে মহাকাশে অবস্থান করবেন। এ সময় তারা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে চাঁদের দিকে যাবেন। এরপর চাঁদকে একবার প্রদক্ষিণ করে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। এটি চন্দ্রাভিযান হলেও নভোচারীদের কেউ চাঁদে পা রাখবেন না।
মনুষ্যবাহী এই পরীক্ষামূলক যাত্রার মূল লক্ষ্য চাঁদে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করা। নাসা ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের দুর্গম দক্ষিণ মেরুতে আবার নভোচারী অবতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সেখানে নভোচারীরা নানান পরীক্ষা–নিরীক্ষা করবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটি চাঁদে যাওয়ার জন্য সবুজ সংকেত পাবে।
নাসার কয়েক দশকের একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হলো আর্টেমিস। ১৯৭২ সালের পর আবারও মানুষকে চাঁদে পাঠানো, সেখানে দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের অভিযানের পথ প্রশস্ত করার উদ্দেশে এই প্রকল্প হাতে নেয় নাসা।
চাঁদের পথে রওনা হওয়া নভোচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রিপোর্ট : অ. মৈ/মা. হা
সর্বশেষ ১৯৭২ সালে নাসার অ্যাপোলো-১৭ মিশনের পর এই প্রথম কোনো মানুষ চাঁদের পথে রওনা হলেন। একে চাঁদে আর মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার ‘ওরিয়ন’ ক্যাপসুলে চড়ে ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু করলেন চার নভোচারী। নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্যাপসুলটি প্রায় ১৫ ফুট চওড়া ও ৯ ফুট উঁচু। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ ক্যাপসুল কক্ষপথে পৌঁছাবে।
এই চার নভোচারী মোট ১০ দিনের মিশনে মহাকাশে অবস্থান করবেন। এ সময় তারা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে চাঁদের দিকে যাবেন। এরপর চাঁদকে একবার প্রদক্ষিণ করে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। এটি চন্দ্রাভিযান হলেও নভোচারীদের কেউ চাঁদে পা রাখবেন না।
মনুষ্যবাহী এই পরীক্ষামূলক যাত্রার মূল লক্ষ্য চাঁদে নিয়মিত যাতায়াত শুরু করা। নাসা ২০২৮ সালের মধ্যে চাঁদের দুর্গম দক্ষিণ মেরুতে আবার নভোচারী অবতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সেখানে নভোচারীরা নানান পরীক্ষা–নিরীক্ষা করবেন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এটি চাঁদে যাওয়ার জন্য সবুজ সংকেত পাবে।
নাসার কয়েক দশকের একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হলো আর্টেমিস। ১৯৭২ সালের পর আবারও মানুষকে চাঁদে পাঠানো, সেখানে দীর্ঘমেয়াদী ঘাঁটি তৈরি এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষের অভিযানের পথ প্রশস্ত করার উদ্দেশে এই প্রকল্প হাতে নেয় নাসা।
চাঁদের পথে রওনা হওয়া নভোচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রিপোর্ট : অ. মৈ/মা. হা
