ইডেন কলেজের এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে তরুণ গায়ক আবু জাহিদ ওরফে জাহিদ অন্তুকে আদালত আজ কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম রাশিদুর রহমান আদালতে আসামিকে হাজির করে তার কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামির পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানির দিন বৃহস্পতিবার ঠিক করেন। এর আগে আজ সকালে গুলশান এভিনিউ থেকে জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছর টিএসসিতে গিটার ক্লাস চলাকালীন সময়ে জাহিদের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর পরিচয় হয় এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে সম্পর্ক ছিন্ন হয় এবং যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরই মধ্যে, জাহিদ তার বাসায় একটি পণ্যের ফটোশুটের জন্য শিক্ষার্থীকে ডেকে পাঠান।
গত ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬ টার দিকে জাহিদ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে বাসায় আসার জন্য বলেন। বাসায় যাওয়ার পর জাহিদ তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানি করেন। শিক্ষার্থী প্রতিরোধ করলে জাহিদ তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মুখ, গলা ও মাথায় গুরুতর জখম হয়।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থী কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে স্বজনদের সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী গুলশান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়েরের পর জাহিদ গ্রেপ্তার হন।
এদিকে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, জামিনের আবেদন বৃহস্পতিবার শুনানি হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কে এম রাশিদুর রহমান আদালতে আসামিকে হাজির করে তার কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আসামির পক্ষের আইনজীবী জামিন আবেদন করলে আদালত শুনানির দিন বৃহস্পতিবার ঠিক করেন। এর আগে আজ সকালে গুলশান এভিনিউ থেকে জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছর টিএসসিতে গিটার ক্লাস চলাকালীন সময়ে জাহিদের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীর পরিচয় হয় এবং তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে সম্পর্ক ছিন্ন হয় এবং যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরই মধ্যে, জাহিদ তার বাসায় একটি পণ্যের ফটোশুটের জন্য শিক্ষার্থীকে ডেকে পাঠান।
গত ২৭ মার্চ সন্ধ্যা ৬ টার দিকে জাহিদ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীকে বাসায় আসার জন্য বলেন। বাসায় যাওয়ার পর জাহিদ তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন ও শ্লীলতাহানি করেন। শিক্ষার্থী প্রতিরোধ করলে জাহিদ তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এতে তার মুখ, গলা ও মাথায় গুরুতর জখম হয়।
পরবর্তীতে শিক্ষার্থী কৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে স্বজনদের সহায়তায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। ঘটনার পর ভুক্তভোগী গুলশান থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দায়েরের পর জাহিদ গ্রেপ্তার হন।
এদিকে আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, জামিনের আবেদন বৃহস্পতিবার শুনানি হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
