ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ, ফেরিঘাটে বাড়তি চাপ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দঘন সময় শেষে আবারও কর্মব্যস্ত জীবনে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ। রাজধানী ঢাকার দিকে একসঙ্গে যাত্রা করেছেন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হাজারো মানুষ, যার ফলে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে ঘাট এলাকায় ভিড় বেড়ে যায়, বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি বুকিং কাউন্টারের সামনে চোখে পড়ে। টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এদিকে, আশপাশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের সংকটের কারণে যাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে বলে জানান মোটরসাইকেল চালকরা। প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েছেন।
যাত্রী ও যানবাহনের চাপ সামাল দিতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি চালু রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। পাশাপাশি, বিআইডব্লিউটিএ এই নৌপথে ১৬টি লঞ্চ চলাচল নিশ্চিত করেছে।
ঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও তৎপর হয়েছে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন বিশেষ নজরদারি বাড়িয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক জেসানুল ইসলাম তপু জানান, ঈদের আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং যাত্রীদের নির্বিঘ্ন পারাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের এই চাপ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগই এখন সবচেয়ে বড় ভরসা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে ঘাট এলাকায় ভিড় বেড়ে যায়, বিশেষ করে মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ সারি বুকিং কাউন্টারের সামনে চোখে পড়ে। টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
এদিকে, আশপাশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেলের সংকটের কারণে যাত্রা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে বলে জানান মোটরসাইকেল চালকরা। প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পেয়ে অনেকেই সমস্যায় পড়েছেন।
যাত্রী ও যানবাহনের চাপ সামাল দিতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৭টি ফেরি চালু রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। পাশাপাশি, বিআইডব্লিউটিএ এই নৌপথে ১৬টি লঞ্চ চলাচল নিশ্চিত করেছে।
ঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও তৎপর হয়েছে এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন বিশেষ নজরদারি বাড়িয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক জেসানুল ইসলাম তপু জানান, ঈদের আগে থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং যাত্রীদের নির্বিঘ্ন পারাপারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে।
ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের এই চাপ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগই এখন সবচেয়ে বড় ভরসা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
