ঈদের তৃতীয় দিনেও বান্দরবানে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়
ঈদের তৃতীয় দিনেও বান্দরবান জেলার পর্যটন স্পটগুলো পর্যটকদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছে। সবুজ পাহাড় এবং নীল আকাশের সৌন্দর্যে প্রকৃতিপ্রেমীরা পাহাড়ঘেরা এই জেলায় ভিড় জমাচ্ছেন।
রমজান মাসে পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলনামূলক ফাঁকা থাকলেও ঈদের ছুটিতে এখন জেলার প্রায় সব পর্যটন স্পটে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতেও অধিকাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে।
বান্দরবানে আসা পর্যটকদের আগ্রহ বেড়েছে এখানকার পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য দেখে। মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরি ও দেবতাকুমসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় বেড়েছে।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রিদওয়ান বলেন, বান্দরবান খুবই সুন্দর পর্যটন জেলা। এখানে পাহাড়, নদী, ঝরণা, মেঘ—প্রকৃতির এমন সংমিশ্রণ অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।
মেঘলা পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে আসা শিরীন আক্তার জানান, ঈদের দীর্ঘ ছুটি আমাদের ভ্রমণের সুযোগ দিয়েছে। আমরা বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরছি। নিজের চোখে না দেখলে এই জেলার সৌন্দর্য বোঝা যায় না।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।
বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদ উপলক্ষে জেলার সব হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। অনেক পর্যটক বান্দরবানমুখী হয়েছেন এবং এই খাতে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
গিরিরাজ রিসোর্টের মালিক রুনা আক্তার জানান, আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত তাদের রিসোর্টে কোনো কক্ষ খালি নেই। পর্যটন মোটেলের ম্যানেজার মো. শোয়েব বলেন, ২৬ মার্চ উপলক্ষে পর্যটন মোটেলে ২০ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ, বান্দরবান জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. ফরিদ উদ্দিন খান জানিয়েছেন, ঈদের ছুটির কারণে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়েছে এবং তাদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, বান্দরবানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে এবং পর্যটকরা নির্বিঘ্নে ভ্রমণ উপভোগ করছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
রমজান মাসে পর্যটনকেন্দ্রগুলো তুলনামূলক ফাঁকা থাকলেও ঈদের ছুটিতে এখন জেলার প্রায় সব পর্যটন স্পটে পর্যটকদের ঢল নেমেছে। হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলোতেও অধিকাংশ কক্ষ আগাম বুকিং হয়ে গেছে।
বান্দরবানে আসা পর্যটকদের আগ্রহ বেড়েছে এখানকার পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা এবং প্রকৃতির অপূর্ব সৌন্দর্য দেখে। মেঘলা, নীলাচল, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক, নীলগিরি ও দেবতাকুমসহ বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় বেড়েছে।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক রিদওয়ান বলেন, বান্দরবান খুবই সুন্দর পর্যটন জেলা। এখানে পাহাড়, নদী, ঝরণা, মেঘ—প্রকৃতির এমন সংমিশ্রণ অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।
মেঘলা পর্যটনকেন্দ্রে বেড়াতে আসা শিরীন আক্তার জানান, ঈদের দীর্ঘ ছুটি আমাদের ভ্রমণের সুযোগ দিয়েছে। আমরা বান্দরবানের বিভিন্ন উপজেলায় ঘুরছি। নিজের চোখে না দেখলে এই জেলার সৌন্দর্য বোঝা যায় না।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন।
বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঈদ উপলক্ষে জেলার সব হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। অনেক পর্যটক বান্দরবানমুখী হয়েছেন এবং এই খাতে আয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
গিরিরাজ রিসোর্টের মালিক রুনা আক্তার জানান, আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত তাদের রিসোর্টে কোনো কক্ষ খালি নেই। পর্যটন মোটেলের ম্যানেজার মো. শোয়েব বলেন, ২৬ মার্চ উপলক্ষে পর্যটন মোটেলে ২০ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ, বান্দরবান জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. ফরিদ উদ্দিন খান জানিয়েছেন, ঈদের ছুটির কারণে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়েছে এবং তাদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, বান্দরবানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে এবং পর্যটকরা নির্বিঘ্নে ভ্রমণ উপভোগ করছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
