ATN
শিরোনাম
  •  

নতুন গণতান্ত্রিক আবহে প্রথম ঈদ, স্বস্তি ও আশার মিশেল মানুষের মাঝে

         
নতুন গণতান্ত্রিক আবহে প্রথম ঈদ, স্বস্তি ও আশার মিশেল মানুষের মাঝে

নতুন গণতান্ত্রিক আবহে প্রথম ঈদ, স্বস্তি ও আশার মিশেল মানুষের মাঝে

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়। এরপরই প্রথম ঈদে-স্বস্তি, আশা আর উচ্ছ্বাস একসাথে কাজ করছে মানুষের মাঝে। নতুন সরকারের এক মাসে বড় এই উৎসব আয়োজন কেমন হচ্ছে, জানার চেষ্টা করেছেন সাজেদা সুইটি।

গত সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরে দায় এড়ানো নয়- প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের চেষ্টায় প্রতিদিন কাজ করছে নতুন সরকার। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময়কার অর্জন ধরে রেখে, সীমাবদ্ধতার জায়গাগুলোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চায় জনগণের ভোটে দায়িত্বে আসা সরকার।

এমনই প্রেক্ষাপটে, এবারের ঈদ। ক্ষমতা গ্রহণের একমাসের মধ্যেই বড় উৎসব সামাল দেওয়ার প্রস্তুতি দৃশ্যমান। প্রতিশোধ নয়-সবার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের বার্তা জনমনে আস্থা বাড়িয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল, যা উৎসবের আমেজ ফিরিয়ে এনেছে।

বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। কয়েক বছর পর জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। মার্কেটগুলোতে ভিড়-অর্থনীতিতে গতি ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। দ্রব্যমূল্যের চাপ থাকলেও, মানুষের প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত। একমাসে সব পরিবর্তন সম্ভব নয়-এমনটাও বলছেন অনেকে। তবে রমজান ও ঈদে বড় কোনো পণ্যের সংকট না থাকায় স্বস্তি আছে।

ঈদে ঘরে ফেরা-সবচেয়ে বড় আনন্দ। কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এবারের যাত্রা তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক।

এর মাঝে, প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো ঈদ উপহার অনেকের মাঝে উৎসবের আনন্দ বাড়িয়েছে বহু গুনে।

ঈদে রাজনৈতিক নেতাদের সরব উপস্থিতি ও সহায়তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সময় পর ভোটমুখী রাজনীতিতে ফিরে, জনসম্পৃক্ততা ও জবাবদিহিতার বার্তাও স্পষ্ট।

‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি এরইমাঝে স্বস্তি দিয়েছে নিম্নআয়ের অনেক পরিবারকে। সামনে ‘কৃষক কার্ড’—যা গ্রামাঞ্চলেও নতুন প্রত্যাশা তৈরি করছে।

সব মিলিয়ে, নতুন সরকারের আমলে প্রথম ঈদ, শুধু উৎসব নয়, বরং স্বস্তি ও আশার একটি সূচনা। ইতিবাচক ধারায় ভালো সময়ের প্রত্যাশা মানুষের।

রিপোর্ট : সা. সু/মা. হা
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ