আজ পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে। ফাইল ছবি
আকাশে আজ দেখা যাবে এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য—পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) চাঁদ গ্রহণ চলাকালে লালচে আভা ধারণ করবে, যা সাধারণত ‘ব্লাড মুন’ নামে পরিচিত। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এটি চলতি সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশীয় ঘটনা।
তথ্য অনুযায়ী, আজ দুপুর ২টা ৪২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশের মাধ্যমে গ্রহণের সূচনা হবে। পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এবং কেন্দ্রীয় গ্রহণ হবে বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। এই গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ১.১১৫।
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করে। ফলে সূর্যের সরাসরি আলো চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যালোক প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছে। এ সময় বায়ুমণ্ডল নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি ছড়িয়ে দেয় এবং লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্য তুলনামূলকভাবে চাঁদের দিকে প্রবাহিত হয়।
এই প্রক্রিয়ার কারণেই গ্রহণের সময় চাঁদকে তামাটে বা লালচে রঙে দেখা যায়। জ্যোতির্বিদদের মতে, আজকের এই গ্রহণ বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ/ সা.ই.শা
তথ্য অনুযায়ী, আজ দুপুর ২টা ৪২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশের মাধ্যমে গ্রহণের সূচনা হবে। পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এবং কেন্দ্রীয় গ্রহণ হবে বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। এই গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা নির্ধারিত হয়েছে ১.১১৫।
পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করে। ফলে সূর্যের সরাসরি আলো চাঁদে পৌঁছাতে পারে না। তবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সূর্যালোক প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের পৃষ্ঠে পৌঁছে। এ সময় বায়ুমণ্ডল নীল তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি ছড়িয়ে দেয় এবং লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্য তুলনামূলকভাবে চাঁদের দিকে প্রবাহিত হয়।
এই প্রক্রিয়ার কারণেই গ্রহণের সময় চাঁদকে তামাটে বা লালচে রঙে দেখা যায়। জ্যোতির্বিদদের মতে, আজকের এই গ্রহণ বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে আকাশ পরিষ্কার থাকলে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ/ সা.ই.শা
