ATN
শিরোনাম
  •  

খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দল সম্পর্কে হাদীসের ভবিষ্যৎবাণী, কবে তাদের উত্থান হবে?

         
খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দল সম্পর্কে হাদীসের ভবিষ্যৎবাণী, কবে তাদের উত্থান হবে?

খোরাসানের কালো পতাকাবাহী বাহিনী কারা?

মূলত রাসুল (সাঃ) এর যুগে বৃহত্তর খোরাসান বলতে এর সীমানা নিম্ন লিখিত ভূখণ্ডের সমষ্টিকে বুঝায়, যার মূল কেন্দ্র হচ্ছে বর্তমান আফগানিস্তান। “উত্তর-পশ্চিম আফগানিস্তান (হেরাত, বালখ, কাবুল, গাজনি, কান্দাহার দিয়ে বিস্তৃত), উত্তর ও দক্ষিন-পূর্ব উজবেকিস্তান (সামারকান্দ, বুখারা, সেহরিসাবজ, আমু নদী ও সীর নদীর মধ্যাঞ্চল দিয়ে বিস্তৃত), উত্তর-পূর্ব ইরান (নিশাপুর, তুশ, মাসহাদ, গুরগান, দামাঘান দিয়ে বিস্তৃত), দক্ষিন তুর্কমেনিস্তান (মেরি প্রদেশ – মার্ভ, সানজান), দক্ষিন কাজিকিস্তান, উত্তর ও পশ্চিম পাকিস্তান (মালাকান্দ, সোয়াত, দীর ও চিত্রাল), উত্তর পশ্চিম তাজিকিস্তান (সুগ্ধ প্রদেশের খোজান্দ, পাঞ্জাকেন্ত দিয়ে বিস্তৃত)”।

খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দল সম্পর্কে হাদীসের ভবিষ্যৎবাণী :

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “পূর্বদিক (খোরাসান) থেকে কিছু লোক বের হয়ে আসবে, যারা ইমাম মাহদির খিলাফত প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে এবং খিলাফত প্রতিষ্ঠা সহজ করে দিবে”।

(সহিহ মুসলিম, খণ্ড ৩, হাদিস নং ২৮৯৬; সুনানে ইবনে মাজা, খণ্ড ৩, হাদিস নং ৪০৮৮)

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, একদা আমরা নবী করীম (সাঃ) এর খেদমতে উপস্থিত ছিলাম। উনি বলতে ছিলেন, “ঐ দিক থেকে একটি দল আসবে (হাত দিয়ে তিনি পূর্ব দিকে ইশারা করলেন)। তারা কালো পতাকাবাহী হবে। তারা সত্যের (পূর্ণ ইসলামী শাসনের) দাবি জানাবে, কিন্তু তাদেরকে দেওয়া হবে না। দুইবার বা তিনবার এভাবে দাবি জানাবে, কিন্তু তখনকার শাসকগণ তা গ্রহণ করবে না। শেষ পর্যন্ত তারা (ইসলামী শাসন ব্যবস্থার দায়িত্ব) আমার পরিবারস্থ একজন লোকের (ইমাম মাহদির) হাতে সোপর্দ করে দিবে। সে জমিনকে ন্যায় এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে ভরে দিবে, ঠিক যেমন ইতিপূর্বে অন্যায় অত্যাচারের মাধ্যমে ভরে দেওয়া হয়েছিল। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যদি কেউ ঐ সময় জীবিত থাকো, তবে অবশ্যই তাদের দলে এসে শরীক হয়ে যেও – যদিও বরফের উপর কনুইয়ে ভর দিয়ে আসতে হয়”।

(আবু আ’মর আদ দাইনিঃ ৫৪৭, মুহাক্কিক আবু আবদুল্লাহ শাফেয়ী হাদিসটিকে সহীহ বলেছেন)

খোরাসানের কালো পতাকাবাহী বাহিনীর আবির্ভাব হওয়ার পূর্বে কি কি ঘটবে?

১, তুরস্ক ও আমরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, সিরিয়াতে বাশার আল আসাদ ও তার সহযোগী রাশিয়া, ইরান, হিজবুল্লাহ ও শিয়া মিলিশিয়াদের বিপক্ষে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে যাবে। যার কারনে শিয়ারা ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেনে ধ্বংসের মুখোমুখি হবে।

২, ইরাক ও সিরিয়া, মিশরে ইসলামিক ইস্টেট এর ব্যাপক পুনরায় উত্থান হবে। যার কারনে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, মসূল, সিরিয়ার হোমস শহর দখল করবে।

৩, সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের নিকটবর্তী হারাস্তা শহরে মারাত্মক একটি ভূমিধ্বসের ঘটনা ঘটবে। যার কারণে রাশিয়ার সৈন্য বাহিনী সিরিয়াতে ধ্বংসের মুখোমুখি হবে এবং সেখানে প্রায় এক লক্ষ লোক নিহত হবে।

৪, মিশর লিবিয়াতে কালো পতাকাবাহী (Islamic state) কে হটিয়ে হলুদ পতাকাবাহী বর্বর আবকা জাতির (Tuareg Militant) ব্যাপক উত্থান হবে এবং তারা সিরিয়ার হোমস শহরকে ১৮ মাস অবরোধ করে রাখবে।

৫, দক্ষিণ সিরিয়ার daraa শহর থেকে হঠাৎ করে সুফিয়ানীর উত্থান হবে। সে কালো পতাকাবাহী (Islamic state) হলুদ পতাকাবাহী বর্বর আবকা জাতি (Tuareg Militant) কে পরাজিত করে সিরিয়া থেকে বের করে দিবে এবং সম্পূর্ণ সিরিয়াতে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করবে।

৬, ইয়েমেন থেকে 'মনসুর' নামে কালো পতাকাবাহী একজনের আবির্ভাব হবে এবং সে ইরাকের কুফা (মসূল) শহরে আসবে।

৭, রমজান মাসে পূর্বাকাশে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখা যাবে এবং এটি বিস্ফোরণের কারনে ভয়ংকর আওয়াজ সৃষ্টি হবে। বিজ্ঞানী দের ধারণা এটি ২০২২ সালে ঘটবে।

৮, ফোরাত নদীর তীরে সোনার পাহাড় ভেসে উঠবে ২০২৩ সালে (ইনশাল্লাহ) এবং এটি দখল করার জন্য সুফিয়ানী বিরুদ্ধে তুরস্ক ও আমরিকা সিরিয়ার দেইর আজ জুরে ভয়ংকর যুদ্ধে লিপ্ত হবে। যার কারণে সেখানে এক লক্ষ বা, এক লক্ষ ৬০ হাজার লোক নিহত হবে।

খোরাসানের বাহিনীর উত্থান কবে হবে?

হযরত ছওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “তোমাদের ধনভাণ্ডারের (ফোরাত নদীর স্বর্ণের পাহাড়ের) নিকট তিনজন বাদশাহের সন্তান যুদ্ধ করতে থাকবে। কিন্তু ধনভাণ্ডার (স্বর্নের পাহাড়) তাদের একজনেরও হস্তগত হবে না। তারপর পূর্ব দিক (খোরাসান) থেকে কতগুলো কালো পতাকাবাকী দল আত্মপ্রকাশ করবে। তারা তোমাদের সাথে এমন ঘোরতর লড়াই লড়বে, যেমনটি কোন সম্প্রদায় তাদের সঙ্গে লড়েনি”। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর নবীজি (সাঃ) আরও একটি বিষয় উল্লেখ করে বললেন, “তারপর আল্লাহর খলীফা মাহদির আবির্ভাব ঘটবে। তোমরা যখনই তাঁকে দেখবে, তাঁর হাতে বাইয়াত নেবে। যদি এজন্য তোমাদেরকে বরফের উপর দিয়ে হামাগুড়ি খেয়ে যেতে হয়, তবুও যাবে। সে হবে আল্লাহর খলীফা মাহদি”।

(সুনানে ইবনে মাজা; খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ১৩৬৭; মুসতাদরাকে হাকেম, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫১০)

এই হাদিস থেকে বুঝা যায়, ফোরাত নদীর তীরে সোনার পাহাড় ভেসে উঠার পর খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলের উত্থান হবে। ফোরাত নদীর তীরে সোনার পাহাড় ভেসে উঠার আগে খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলের উত্থান হবে না এটাই গ্রহনযোগ্য মত। এখন প্রশ্ন হল, ফোরাত নদীর তীরে সোনার পাহাড় কবে ভেসে উঠবে?

কোন এলাকার মানুষ খোরাসানের বাহিনীর সহযোগী হবে?

"দরিদ্র পীরিত তালোকান অঞ্চল(আফগানিস্তানের উত্তর পূর্বাঞ্চল) সেখানে স্বর্ন, রৌপ্যের খনি নেই কিন্তু আল্লাহ্‌র রহমত দ্বারা পরিপূর্ণ। তারাই আল্লাহর রহমত দ্বারা স্বীকৃত, শেষ জমানায় তারাই হবে ইমাম মাহদীর সহযোগী "।

তাজিকিস্তান সীমান্তবর্তী তালোকান, কুন্দুজ, জালালাবাদ পাহাড়ী অঞ্চলের মানুষেরা খোরাসানের বাহিনীর সহযোগী হবেন।

খোরাসানের কালো পতাকাবাহী বাহিনীর যোদ্ধার সংখ্যা কত হবে?

হযরত হাসান (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আর্যদের পিতল বর্নের চাঁর ব্যাক্তি বনি তামিম গোত্রের অভিমুখে বের হবেন। তাদের মধ্যে একজন হবেন হাঙর মাছের মত, যার নাম হবে শুয়াইব ইবনে সালেহ। তার সাথে ৪০০০ সৈন্য থাকবে। তাদের পোশাক হবে সাদা, আর তাদের পতাকা হবে কালো। তারা ইমাম মাহদীর অগ্রগামী অনুগত সৈন্য হবে এমনকি তারা তাদের শত্রুদের পরাজিত না করে মাহদীর সাথে সাথে সাক্ষাৎ করবে না।

( আল ফিতানঃ নুয়াইম বিন হাম্মাদ - ৮৯৭)

হযরত যামরা ইবনে হাবীব (রহঃ) ও তার শাইখদের থেকে বর্ণিত তারা বলেন, সুফইয়ানী তার অশ্বারোহী বাহিনী ও সৈন্যদল প্রেরণ করবে। তারা খোরাসানের আম্মাতুশ শিরকে (ইরানের ইসফাহান শহর) ও পারস্য (ইরানের) ভুমিতে পৌঁছবে। অতপর পূর্বাঞ্চলের (ইরানের) অধিবাসীরা তাদের সাথে বিদ্রোহ করবে। ফলে তারা তাদের সাথে যুদ্ধ করবে। আর তাদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় অনেক যুদ্ধ হবে। যখন তাদের মাঝে যুদ্ধ বিগ্রহ দীর্ঘস্থায়ী হবে তখন বনু হাশেমের এক ব্যক্তির নিকট বাইয়াত গ্রহণ করবে। আর সে সেদিন পূর্বাঞ্চলের একেবারে শেষে থাকবে। অতপর সে খোরাসানবাসীদের নিয়ে বের হবে। উক্ত দলের সম্মুখে থাকবে বনু তামিমের আযাদকৃত গোলাম (শুয়াইব ইবনে সালেহ)। সে হবে হলুদ বর্ণের, পাতলা দাড়ি ওয়ালা। পাঁচ হাজারের (সৈন্য নিয়ে) মধ্যে তার দিকে বের হবে।

(কিতাবুল ফিতানঃ হাদিস নং - ৯১৫)

এই হাদিস থেকে বুঝা যায়, খোরাসানের মূল বাহিনী বের হওয়ার পূর্বেই খোরাসান থেকে কিছু যোদ্ধারা ইরানের ভূখণ্ডে তাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধে লিপ্ত থাকবে, তারপর শুয়াইব ইবনে সালেহ এর নেতৃত্বে ৪/৫ হাজার সৈন্য নিয়ে ইরানের ফার্স শহরের ইস্তাখর নামক ঐতিহাসিক স্থানে সুফিয়ানী বাহিনীর সাথে ভয়ংকর যুদ্ধে লিপ্ত হবে। আর এই যুদ্ধেকেই আহওয়াজের যুদ্ধ বলা হয়েছে। তবে শুয়াইব ইবনে সালেহ যখন ৪/৫ হাজার সৈন্য নিয়ে ইরানের দিকে রওনা দিবে তার সাথে আরো কয়েকটি ছোট ছোট দলও থাকবে।

খোরাসানের বাহিনীর বৈশিষ্ট্য সমূহঃ

১, তাদের পোশাক হবে সাদা ঢিলেঢালা এবং পাগড়ি হবে কালো রঙের।

২, তাদের পতাকা হবে কালিমা খচিত কালো পতাকা।

৩, তাদের চুল, দাড়ি হবে ঝুল পরিহিত উষ্ঠির মত বা, বাবরি চুল বিশিষ্ট।

৪,তাদের বংশ হবে প্রাচীন, তাদেরকে উপনামে (ছদ্মনামে) ডাকা হবে।

৫, তালোকান (আফগানিস্তানের কুনদুজ, জালালাবাদ) অঞ্চলের মানুষ বেশি থাকবে এই দলে।

৬, তাদের নেতার নাম হবে শুয়াইব ইবনে সালেহ। তিনি বনু তামীম গোত্রের লোক হবেন। তার চেহারা হবে হাঙ্গর মাছের মতো আর গায়ের রঙ হবে পিতল বর্নের।

৭, তাদের সৈন্যবাহিনী সংখ্যা হবে ৪ বা, ৫ হাজার।

৮, তাদের উত্থান হবে ফোরাত নদীর তীরে সোনার পাহাড় ভেসে উঠার পর।

৯, তারা সুফিয়ানীর বিরুদ্ধে ইরানের ফার্স প্রদেশের ইস্তাখর নামক ঐতিহাসিক স্থানে যুদ্ধ করবে।

১০, তাদের সাথে ৯টি বা, ১২ টি কালো পতাকাবাহী দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে সুফিয়ানীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে।

১১, সুফিয়ানীকে পরাজিত করার পরেও তারা সুফিয়ানীর সৈন্যদেরকে ইরাক ও সিরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় স্বাধীনভাবে বসবাসের সুযোগ দিবে।

১২, কয়েক মাস পর সুফিয়ানী বাহিনীর কাছে তারা পরাজিত হবে। তখন শুয়াইব ইবনে সালেহ পালিয়ে ফিলিস্তিনের জেরুজালেম চলে যাবেন আর মাহদী ও মনসুর পালিয়ে মক্কা চলে যাবেন।

খোরাসানের বাহিনীর আবির্ভাবের পূর্বে সর্বশেষ ইরাকের কুফা (মসূল) শহরে বড় ধরনের গনহত্যা সংগঠিত হবে?

হযরত আরতাত (রাঃ) বলেন,“সুফিয়ানি কুফায় (মসূল শহরে) প্রবেশ করবে। ৩ দিন পর্যন্ত সে দুশমনদের(Islamic state) বন্দীদেরকে সেখানে আটকে রাখবে এবং ৬০ হাজার কুফাবাসীকে(মসূল বাসী) হত্যা করে ফেলবে। তারপর সে ১৮ রাত পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে তাদের (Islamic state) সম্পদগুলো বণ্টন করবে। তখন তাদের মধ্যে একদল খোরাসানে ফেরত যাবে। সুফিয়ানির সৈন্যবাহিনী আসবে এবং কুফার(মসূল) বিল্ডিংগুলো ধ্বংস করে সে খোরাসানবাসীদেরকে তালাশ করবে। খোরাসানে একটি দলের আবির্ভাব ঘটবে, যারা ইমাম মাহদীর দিকে আহ্বান করবে। অতঃপর মাহদী ও মানসুর উভয়ে কুফা(মসূল) থেকে পলায়ন করবে। সুফিয়ানি উভয়ের তালাশে সৈন্য প্রেরণ করবে। অতঃপর যখন মাহদী ও মানসুর পালিয়ে মক্কায় পৌঁছে যাবে, তখন সুফিয়ানীর বাহিনীকে ‘বায়দা’ নামক স্থানে মাটির নিচে ধ্বসিয়ে দেওয়া হবে। এরপর মাহদী মক্কা থেকে বের হয়ে মদিনায় যাবেন এবং ওখানে বনু হাশেমকে মুক্ত করবেন। এমন সময় কালো পতাকাবাহী লোকেরা এসে পানির(সমুদ্রে) উপর অবস্থান করবে। কুফায়(মসূল) অবস্থিত সুফিয়ানির লোকেরা কালো পতাকাবাহী দলের আগমনের কথা শুনে পলায়ন করবে। কুফার (মসূল) এর সম্মানিত লোকেরা বের হবে যাদেরকে ‘আসহাব’ বলা হয়ে থাকে, তাদের কাছে কিছু অস্ত্র শস্ত্রও থাকবে এবং তাদের মধ্যে বসরা’বাসীদের থেকে একজন লোক থাকবে। অতঃপর কুফা বাসী (মসূল শহরের লোকজন) সুফিয়ানির লোকদেরকে ধরে ফেলবে এবং কুফার যে সব লোক তাদের হাতে থাকবে, তাদেরকে মুক্ত করবে। পরিশেষে কালো পতাকাবাহী দল এসে মাহদির হাতে বাইয়াত গ্রহণ করবে”।

(আল ফিতানঃ ৮৯৩, মুহাক্কিক আহমদ ইবনে শুয়াইব এই হাদিসটির সনদকে ‘লাবাসা বিহা’ বা ‘বর্ণনাটি গ্রহণ করা যেতে পারে’ বলেছেন)

বনু হাশেমের কালো পতাকাবাহী দল (Islamic state) যখন সুফিয়ানীর তাণ্ডবের কারণে ইরাকের মসূল শহরে চুড়ান্ত ভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে, এবং সেখানে তাদের ৭০ হাজার সৈন্য বাহিনীকে হত্যা করা হবে, তারপরেই কেবল খোরাসানের কালো পতাকাবাহী দলের উত্থান হবে।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/ সা.ই.শা

পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বিশ্ব সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ