ATN
শিরোনাম
  •  

রোজার প্রথম দিনেই খেজুরের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা

         
রোজার প্রথম দিনেই খেজুরের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা

খেজুরের দাম কেজিতে বেড়েছে ৫০ টাকা। ফাইল ছবি

সংযমের মাস রমজানের শুরুতেই রাজধানীর বাজারে খেজুরের দামে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। প্রথম রোজার দিনেই প্রায় সব ধরনের খেজুরের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির কাছে জনপ্রিয় ‘জাহিদী’ খেজুরের দাম।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাড়তি চাহিদাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়েছেন। গত বুধবার সকালে যে জাহিদী খেজুর ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, তা আজ ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের জাহিদী এখন ৫০০ টাকা কেজি, যা গত বছর ছিল ৩৫০ টাকা।

নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের কাছে জনপ্রিয় ‘বস্তা’ খেজুরও দুই দিনের ব্যবধানে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে এটি ২৫০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় খেজুর কিনতে আসা এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অল্প সময়ের ব্যবধানে এমন মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জন্য কষ্টকর। ইফতারে খেজুর রাখা সুন্নত হওয়ায় অনেকেই কম-বেশি খেজুর কেনার চেষ্টা করেন, কিন্তু বাড়তি দামে তা কঠিন হয়ে পড়ছে।

বাজারে বর্তমানে সুরমা ৩৬০ থেকে ৪০০, বরই ৪৮০ থেকে ৬৫০, ছড়া ৫৫৫ থেকে ৬০০, দাবাস ৬০০ থেকে ৬৫০, সুদাই ৭৫০ থেকে ৮০০, কালমি মরিয়ম ৮৫০ থেকে ৯০০, মাবরুম মরিয়ম ৮৫০ থেকে ৯৫০, সুকারি ৯২০ থেকে ৯৫০, আজওয়া ৯৫০ থেকে ১০০০, ইরানি মরিয়ম ১২৫০ থেকে ১৪০০ এবং প্রিমিয়াম মেডজুল ১৬৫০ থেকে ১৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকার খেজুর আমদানিতে শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করায় আমদানি বেড়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টন খেজুরের চাহিদা রয়েছে, যার মধ্যে রমজানেই প্রয়োজন হয় ৬০ থেকে ৮০ হাজার টন। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি মজুত রয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও অতিরিক্ত মুনাফার আশায় এক শ্রেণির ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট অর্থনীতি সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ