ATN
শিরোনাম
  •  

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম রপ্তানির হতাশা নিয়েই শেষ হচ্ছে মৌসুম

         

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম রপ্তানির হতাশা নিয়েই শেষ হচ্ছে মৌসুম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম মৌসুম শেষ হতে যাচ্ছে রপ্তানির হতাশা নিয়ে। মৌসুমের শুরুতে ব্যাপক আশা ও উদ্দীপনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশামত আম পাঠাতে পারেননি উদ্যোক্তারা। বেশি খরচে রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন করে লোকসানে পড়েছেন তারা।

আম মৌসুমের শুরুতেই রপ্তানির বিষয়টি আলোচনায় ছিল জোরেশোরেই। চীনা রাষ্ট্রদূতের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সফরসহ সরকারি বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে আশা জেগেছিল আম উৎপাদনকারীদের মনে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়েছেন তারা। গুড এগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস বা গ্যাপ অনুসরণ করে আম উৎপাদনের পরও অনেক উদ্যোক্তা তা রপ্তানি করতে পারেননি। গ্যাপ-এর শর্ত পূরণ করতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত খরচ হয়েছে। অথচ রপ্তানি করা গেলো না পর্যাপ্ত আম।

ছবি
রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদন প্রকল্পের মাধ্যমে জেলার ২৭৭ জন চাষি আম উৎপাদন করেছিলেন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রায় ৬ হাজার মেট্রিক টন। অথচ মৌসুমের শেষে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১৫২ মেট্রিক টন।

রাজশাহী অঞ্চলে প্যাকিং হাউজ না থাকা এবং অতিরিক্ত উড়োজাহাজ ভাড়াকে দায়ী করছে মো. ইয়াছিন আলী, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্র্রসারণ অধিদপ্তর।

তাই দেশের কৃষি অর্থনীতির স্বার্থেই, রপ্তানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক নতুন বাজার বাড়ানোর তাগিদ দেন আমচাষিরা।

রিপোর্ট : ই. শি/টুবন

পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট অর্থনীতি সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ