সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত, আপিল শুনানি ১৬ জুন
সুপ্রিম কোর্টের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুন দিন ঠিক করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) এ আদেশ দেন।
বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচারকর্ম বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়, ন্যস্ত ছিল সুপ্রিম কোর্টের ওপর। পরে এতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়।
সংবিধানের সংশোধিত ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে ২০২৪ সালে ১০ জন আইনজীবী রিট করেন। পরে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে নিম্ন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় গঠনেরও নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর আগে ৭ এপ্রিল হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ ১৮৫ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশিত হয়। তারও আগে ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের ওই রায়ে বলা হয়, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীনে অধস্তন আদালতের বিচারিক কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কিছু বিধান অসাংবিধানিক। রায়ে বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
রায়ের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, ছুটি এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে সুপ্রিম কোর্টের কর্তৃত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে আসে। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালাও বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রিপোর্ট : কি/মা. হা
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) এ আদেশ দেন।
বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচারকর্ম বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে, অধস্তন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়, ন্যস্ত ছিল সুপ্রিম কোর্টের ওপর। পরে এতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়।
সংবিধানের সংশোধিত ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে ২০২৪ সালে ১০ জন আইনজীবী রিট করেন। পরে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে নিম্ন আদালতের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাসংক্রান্ত ১৯৭২ সালের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বিচার বিভাগের জন্য আলাদা সচিবালয় গঠনেরও নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ মে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। এর আগে ৭ এপ্রিল হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ ১৮৫ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশিত হয়। তারও আগে ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের ওই রায়ে বলা হয়, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীনে অধস্তন আদালতের বিচারিক কর্মকর্তাদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কিছু বিধান অসাংবিধানিক। রায়ে বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার নির্দেশনাও দেওয়া হয়।
রায়ের ফলে অধস্তন আদালতের বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, ছুটি এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে সুপ্রিম কোর্টের কর্তৃত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে আসে। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালাও বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রিপোর্ট : কি/মা. হা
